পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
শাফিনাজ রহমান দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাসে একদিন বললেন একটি বিশেষ অধিকারের কথা যে অধিকারের রক্ষক জাতিসংঘ এবং সেই অধিকারটি মানুষের জন্মগত অধিকার। উক্ত অধিকারটি ছাড়া মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকশিত হয় না।
- ক)(1)
সুপ্রিম কোর্টের কয়টি ভাগ রয়েছে।
- খ)(2)
ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"উক্ত বিষয়টি মানুষের মানবিক মর্যাদাবোধকে সমুন্নত করে"- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের ২টি বিভাগ রয়েছে (আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি বলতে সরকারের প্রধান তিনটি বিভাগ—আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগকে পরস্পরের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবমুক্ত রেখে নিজ নিজ এখতিয়ারে স্বাধীনভাবে পরিচালনার নীতিকে বোঝায়। ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু তাঁর 'দ্য স্পিরিট অব লজ' গ্রন্থে এ নীতির বিশদ ব্যাখ্যা দেন, যার মূল লক্ষ্য হলো ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ ও নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'মানবাধিকার' (Human Rights)-এর অবতারণা করা হয়েছে।
মানবাধিকার হলো মানুষের জন্মগত ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার, যা মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার ও আত্মবিকাশের জন্য অপরিহার্য। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে 'সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র' গৃহীত হয় এবং জাতিসংঘ এই অধিকারগুলোর প্রধান রক্ষক হিসেবে কাজ করে।
উদ্দীপকে শাফিনাজ রহমান যে অধিকারটির কথা উল্লেখ করেছেন, তার রক্ষক জাতিসংঘ এবং তা মানুষের জন্মগত ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য। পাঠ্যবইয়ের আলোকে এই বৈশিষ্ট্যগুলো স্পষ্টভাবে মানবাধিকারের ধারণাকেই নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
"উক্ত বিষয়টি (মানবাধিকার) মানুষের মানবিক মর্যাদাবোধকে সমুন্নত করে"— উক্তিটি অত্যন্ত যথার্থ।
মানবাধিকার ব্যক্তির মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং সমতাকে স্বীকৃতি দেয়। এটি বর্ণ, ধর্ম, লিঙ্গ, জাতি ও পেশা নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান অধিকার দেয়, ফলে সমাজে বৈষম্য ও শোষণের অবসান ঘটে। মানুষ যখন কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নিজস্ব মতামত প্রকাশ, ধর্মীয় চর্চা এবং চলাচলের অধিকার ভোগ করে, তখন তার আত্মমর্যাদাবোধ জাগ্রত হয়।
জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত মানবাধিকার ব্যক্তিমানুষের ন্যূনতম বাঁচার অধিকার যেমন নিশ্চিত করে, তেমনি তাকে ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ ও মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হলে মানবিক বিপর্যয় নেমে আসে এবং মানুষ দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়। তাই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণের মাধ্যমেই মানুষের মানবিক মর্যাদাবোধ সমুন্নত রাখা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও