পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • দেশপ্রেম ও জাতীয়তা • নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী • নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
জনসমাজ + রাজনৈতিক চেতনা=....?
- ক)(1)
কে জাতীয়তাবাদের ধারণা দেন?
- খ)(2)
একনায়কতন্ত্র বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
'?' চিহ্নিত স্থানের উপযুক্ত বিষয়টি কী? তার ৩টি উপাদান ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উক্ত বিষয়টি সাথে জাতির তুলনামূলক আলোচনা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক নিকোলো মেকিয়াভেলি সর্বপ্রথম জাতীয়তাবাদের স্পষ্ট ধারণা দেন (কিংবা ফরাসি দার্শনিক আর্নেস্ট রেনান জাতীয়তাবাদের বিশদ ধারণা উপস্থাপন করেন)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
একনায়কতন্ত্র হলো এমন এক ধরনের শাসনব্যবস্থা, যেখানে রাষ্ট্রের শাসনক্ষমতা এক ব্যক্তি, দল বা শ্রেণির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে এবং সেখানে জনগণের স্বাধীনতা ও বিরোধী মত প্রকাশের কোনো সুযোগ থাকে না। একনায়কতন্ত্রে শাসকই সকল আইনের ঊর্ধ্বে থাকেন এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতা বজায় রাখেন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত স্থানের উপযুক্ত বিষয়টি হলো 'জাতীয়তা' (জনসমাজ + রাজনৈতিক চেতনা = জাতীয়তা)।
জাতীয়তার ৩টি প্রধান উপাদান নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. ভৌগোলিক ঐক্য: একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক ভূখণ্ডে দীর্ঘকাল একসঙ্গে বসবাসের ফলে জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও একাত্মবোধ গড়ে ওঠে, যা জাতীয়তা গঠনে সহায়ক হয়।
২. ভাষা ও সংস্কৃতির ঐক্য: একই ভাষাভাষী এবং সমজাতীয় সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে সহজেই পারস্পরিক ভাব বিনিময় ঘটে, যা তাদের মধ্যে গভীর ভাবগত ঐক্য বা জাতীয়তার জন্ম দেয়।
৩. রাজনৈতিক চেতনা বা আশা-আকাঙ্ক্ষা: কোনো জনসমষ্টি যখন নিজেদের রাজনৈতিক অধিকার, স্বাধিকার ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সচেতন হয় এবং সম্মিলিত রাজনৈতিক আশা-আকাঙ্ক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়, তখন তা জাতীয়তার রূপ নেয়। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি হলো 'জাতীয়তা'। নিচে জাতীয়তা ও 'জাতি'-র তুলনামূলক আলোচনা করা হলো:
১. ধারণাগত পার্থক্য: জাতীয়তা হলো মূলত এক প্রকার মানসিক বা ভাবগত ধারণা। কোনো জনসমষ্টির মধ্যে যখন ঐক্যবোধ ও একাত্মতা তৈরি হয়, তখন তাকে জাতীয়তা বলে। পক্ষান্তরে, জাতি হলো জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ এমন এক রাজনৈতিক জনসমাজ, যা স্বাধীন অথবা স্বাধীনতা লাভের জন্য সুস্পষ্টভাবে সংগঠিত ও সচেষ্ট। অর্থাৎ, জাতি = জাতীয়তা + রাজনৈতিক সংগঠন বা স্বাধীনতা।
২. মূর্ত ও বিমূর্ত রূপ: জাতীয়তা হলো একটি বিমূর্ত মানসিক চেতনা, যা দেখা যায় না কিন্তু অনুভব করা যায়। অন্যদিকে জাতি হলো সেই চেতনার একটি বাস্তব, দৃশ্যমান ও মূর্ত রাজনৈতিক রূপ।
৩. পর্যায়ের পার্থক্য: জাতীয়তা গঠনের পর জাতির উৎপত্তি ঘটে। অন্য কথায়, জাতীয়তা হলো প্রাথমিক বা পূর্ববর্তী স্তর এবং জাতি হলো তার পরবর্তী বা চূড়ান্ত স্তর। সকল জাতিই একসময় জাতীয়তা ধারণ করে, কিন্তু সকল জাতীয়তাবাদী জনসমাজই স্বাধীন জাতি রাষ্ট্রে রূপান্তরিত নাও হতে পারে।
সুতরাং বলা যায়, জাতীয়তা চেতনার চরম ও রাজনৈতিক রূপই হলো জাতি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও