গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

টানা অবরোধ ও হরতালের কারণে কাপড় ব্যবসায়ী সিদ্দিক সাহেবের ব্যবসায় লোকসান হচ্ছে। লোকসানের কারণে তিনি আর্থিক অনটনে পড়লেন। এ অবস্থায় সংসারের খরচ সামলাতে তাকে বিভিন্ন জায়গা থেকে ধার করে অর্থ আনতে হচ্ছে।

  1. ক)

    পারিবারিক নিরাপত্তার জন্য কোন বিমা করা হয়?

    (1)
  2. খ)

    ঋণ গ্রহণের অসুবিধাগুলো লেখো।

    (2)
  3. গ)

    সিদ্দিক সাহেবের বর্তমান পরিস্থিতিতে সঞ্চয় কীভাবে সাহায্য করতে পারতো? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে সিদ্দিক সাহেব অর্থ ঋণ না নিয়েও কোন কোন বিষয় পূর্ব থেকে স্থির করলে আর্থিক অনটনে পড়তেন না? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পারিবারিক নিরাপত্তার জন্য জীবন বিমা করা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ঋণ গ্রহণের প্রধান অসুবিধাগুলো হলো:
    ১. ঋণের জন্য অতিরিক্ত সুদ প্রদান করতে হয়, যা অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে।
    ২. সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে পারিবারিক সম্পদ বা জামানত হারানোর ঝুঁকি থাকে এবং সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়।
    ৩. অতিরিক্ত ঋণের বোঝা পরিবারে তীব্র মানসিক অস্থিরতা তৈরি করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সিদ্দিক সাহেবের ব্যবসায় লোকসানের ফলে সৃষ্ট আর্থিক সংকট মোকাবিলায় পূর্বে সঞ্চয় করা অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারতো।

    সঞ্চয় হলো আয়ের যে অংশ বর্তমান ভোগে ব্যয় না করে ভবিষ্যতের জন্য জমা রাখা হয়। যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা কিংবা ব্যবসায়িক মন্দার সময় সঞ্চিত অর্থ রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।

    সিদ্দিক সাহেব যদি অতীতের আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ নিয়মিত সঞ্চয় করতেন, তবে টানা অবরোধ ও হরতালে ব্যবসায় ক্ষতি হলেও তিনি সেই সঞ্চিত তহবিল থেকে সংসারের প্রাত্যহিক খরচ নির্বাহ করতে পারতেন। এতে তাঁকে অন্যের কাছ থেকে ঋণ বা ধার করতে হতো না এবং পারিবারিক আর্থিক অনটনও লাঘব হতো।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সিদ্দিক সাহেব ঋণ না নিয়েও যদি পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে পূর্বপরিকল্পনা ও আর্থিক সচেতনতা অবলম্বন করতেন, তবে তিনি অনটনে পড়তেন না। নিচে বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. জরুরি তহবিল গঠন (সঞ্চয়): আয়ের একটি অংশ জরুরি তহবিল হিসেবে জমা রাখা উচিত ছিল, যা অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যবসায়িক ক্ষতি বা পারিবারিক সংকটে সহায়তা করে।
    ২. পারিবারিক বাজেট প্রণয়ন: একটি পরিকল্পিত বাজেট তৈরি করে আবশ্যকীয় ও অনাবশ্যক খরচের পার্থক্য নির্ধারণ করলে আয়ের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হতো।
    ৩. অপ্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচন: দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা বা মন্দার আভাস পেয়ে তিনি যদি পরিবারের বিলাসিতা বা কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যয় তাৎক্ষণিকভাবে কমিয়ে দিতেন, তবে আর্থিক সংকট তীব্র হতো না।
    ৪. ব্যবসায়িক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও বিকল্প পরিকল্পনা: কেবল একটি মাত্র ব্যবসায়িক আয়ের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল না থেকে বিকল্প আয়ের উৎস বা লোকসান মোকাবিলার প্রস্তুতি রাখলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।

    অতএব, পূর্ব থেকে নিয়মিত সঞ্চয়, সুষম বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং ব্যয় সংকোচনের সঠিক পরিকল্পনা থাকলে সিদ্দিক সাহেবকে ঋণের দ্বারস্থ হতে হতো না।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন