‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

একাদশ শ্রেণির ছাত্র ফারিহা ও তাহসিনা ভবিষ্যতে সরকার ও রাজনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করতে চায়। এজন্য তারা তাদের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত একটি বিষয় নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বোধ করে। কারণ বিষয়টি পাঠ করলে তারা রাষ্ট্র, সংবিধান, নাগরিকদের করণীয়-বর্জনীয় এবং দেশের রাজনীতির সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে।

  1. ক)

    Civis শব্দের অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    সুশাসনের সাথে জবাবদিহিতার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়টি কী? তার বিষয়বস্তু আলোচনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    "উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়ের অধ্যয়ন নাগরিক জীবনকে প্রভাবিত করে"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'Civis' (সিভিস) শব্দের অর্থ হলো নাগরিক।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুশাসনের সাথে জবাবদিহিতার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়।

    জবাবদিহিতা হলো এমন এক ব্যবস্থা যেখানে ক্ষমতাসীন বা দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে তাদের কৃতকর্ম ও সিদ্ধান্তের জন্য জনগণের কাছে বা নির্ধারিত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কাছে কৈফিয়ত প্রদান করতে হয়। জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে কোনো শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসে না এবং ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতি বৃদ্ধি পায়। সুশাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভই হলো জবাবদিহিতা। তাই কার্যকর জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো রাষ্ট্রেই সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়টি হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন'।

    পৌরনীতি ও সুশাসন হলো নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। এটি নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রূপ নিয়ে আলোচনা করে।

    এর প্রধান বিষয়বস্তুসমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো:
    ১. নাগরিক ও নাগরিকতা: নাগরিকের সংজ্ঞা, অধিকার, কর্তব্য, গুণাবলি এবং সুনাগরিকতা অর্জনের উপায় আলোচনা করা।
    ২. রাষ্ট্র ও সরকার: রাষ্ট্রের উৎপত্তি, উপাদান, প্রকৃতি, সরকারের বিভিন্ন রূপ ও অঙ্গসমূহ এবং এদের কার্যাবলি বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা।
    ৩. সংবিধান: সংবিধানের ধরন, বৈশিষ্ট্য, সংশোধন প্রক্রিয়া এবং আইনের শাসন সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়া।
    ৪. সুশাসন: স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং দুর্নীতির প্রতিকার সম্পর্কিত আলোচনা করা।
    ৫. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও ইতিহাস: রাজনৈতিক দল, জনমত, নির্বাচন এবং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও রাজনৈতিক বিবর্তনের ইতিহাস পাঠ করা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    "উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়ের (পৌরনীতি ও সুশাসন) অধ্যয়ন নাগরিক জীবনকে প্রভাবিত করে"- উক্তিটি যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

    পৌরনীতি ও সুশাসন অধ্যয়ন একজন মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। নিম্নে এর যৌক্তিকতা আলোচনা করা হলো:

    ১. অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা: এই বিষয় পাঠের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার সম্পর্কে অবগত হয়। একই সাথে রাষ্ট্রের প্রতি আইন মান্য করা, কর প্রদান করা ও ভোটাধিকার প্রয়োগের মতো অপরিহার্য কর্তব্যসমূহ জানতে পারে।
    ২. সুনাগরিকতার শিক্ষা: বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক—সুনাগরিকের এই তিনটি অপরিহার্য গুণাবলি অর্জনে পৌরনীতি জ্ঞান দিয়ে থাকে, যা নাগরিককে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।
    ৩. রাজনৈতিক চেতনা ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি: শাসনব্যবস্থা, সংবিধান ও রাজনীতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেয়ে নাগরিকরা দেশের নীতি নির্ধারণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।
    ৪. পরমতসহিষ্ণুতা ও সামাজিক মূল্যবোধ: পৌরনীতি মানুষকে অন্যের মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে শেখায়।
    ৫. সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রেরণা: এটি নাগরিকদের দুর্নীতি ও অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত করে।

    সুতরাং, দেখা যায় যে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের প্রতিটি দিকই নাগরিকের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত ও সমৃদ্ধ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন