সমাজকর্ম ২য় পত্র • আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা • Combined Board • চট্টগ্রাম, বরিশাল, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭
সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন
জালাল হোসেন একটি মানবকল্যাণধর্মী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এই প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি শিশুর খাদ্য, পুষ্টি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য কাজ করে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ প্রতিষ্ঠানটি তাদের সেবাকর্ম পরিচালনা করে থাকে।
- ক)(1)
ইউসেপ-এর প্রতিষ্ঠাতার নাম কী?
- খ)(2)
রেডক্রিসেন্ট প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ কী?
- গ)(3)
উদ্দীপকে জালাল হোসেন কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
বাংলাদেশে শিশুকল্যাণে এ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইউসেপ (UCEP)-এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন লিন্ডসে অ্যালান চেনি (Cheyne)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রেড ক্রিসেন্ট একটি আন্তর্জাতিক মানবিক সাহায্য সংস্থা। যুদ্ধ, সংঘাত, মহামারি বা যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত, আহত ও বিপন্ন মানুষের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, প্রাথমিক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা প্রদান করে মানবকল্যাণ সাধন করাই রেড ক্রিসেন্টের মূল কাজ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে জালাল হোসেন 'ইউনিসেফ' (UNICEF - United Nations Children's Fund)-এ কর্মরত।
ইউনিসেফ হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা ১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বর গঠিত হয়। এই সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশেষত উন্নয়নশীল দেশের শিশুদের কল্যাণ, খাদ্য, পুষ্টি, প্রাথমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা বিধানে নিবেদিতভাবে কাজ করে থাকে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত জালাল হোসেনের প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘের অধীন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা বিভিন্ন দেশের শিশুদের পুষ্টি, খাদ্য ও নিরাপত্তা বিধানে কাজ করে। এ সকল বৈশিষ্ট্য ইউনিসেফের কার্যক্রমের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই জালাল হোসেন ইউনিসেফ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশে শিশুকল্যাণ ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইউনিসেফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রথমত, ইউনিসেফ বাংলাদেশে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাসে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে। সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) সফল করতে ইউনিসেফের প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা উল্লেখযোগ্য। এর ফলে পোলিও, ধনুষ্টঙ্কার, হামসহ মারাত্মক সব সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ সম্ভব হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, শিশুদের অপুষ্টি দূরীকরণে ইউনিসেফ বহুমুখী কর্মসূচি পরিচালনা করে। ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল বিতরণ, আয়োডিনযুক্ত লবণের প্রসার এবং শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্যের ব্যবস্থা করা এর অন্যতম কাজ।
তৃতীয়ত, প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণে 'মীনা' কার্টুনের মাধ্যমে গণসচেতনতা তৈরি, বিশেষ করে কন্যাশিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠানো, উপবৃত্তি কার্যক্রম এবং নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ইউনিসেফ কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
তাছাড়া দুর্যোগকালীন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের সুরক্ষা এবং শিশুশ্রম ও বাল্যবিয়ে রোধেও সংস্থাটি সক্রিয়। সুতরাং, বাংলাদেশের শিশুদের সুস্থ বিকাশ ও তাদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণে ইউনিসেফের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও