সমাজকর্ম ১ম পত্র • সমাজকর্ম পদ্ধতি • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, বরিশাল, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১
সমাজকর্ম ১ম পত্র প্রশ্ন
সমাজকর্মী ফরিদ আহমদ তার প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে সমাজকর্মের একটি সহায়ক পদ্ধতির উপাদান হিসেবে কিছু কাজ করে থাকেন। প্রথমত তিনি লক্ষভুক্ত জনগোষ্ঠীকে সংঘটিত করেন, দ্বিতীয়ত সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করেন, তৃতীয়ত জনগণের মধ্যে কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অনুভূতি জাগ্রত করেন, চতুর্থত জনমত সৃষ্টি করেন।
- ক)(1)
গবেষণা কি?
- খ)(2)
সামাজিক গবেষণা বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে ফরিদ আহমেদ সমাজকর্মের কোন সহায়ক পদ্ধতির উপাদান অনুসরণ করে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উক্ত পদ্ধতিতে জনমত সৃষ্টির গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা ঘটনা সম্পর্কে সুশৃঙ্খল, বৈজ্ঞানিক ও সুপরিকল্পিত অনুসন্ধানের মাধ্যমে নতুন তথ্য আবিষ্কার কিংবা পুরাতন তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়াকেই গবেষণা বলা হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সামাজিক গবেষণা হলো সমাজ, সামাজিক সম্পর্ক, সামাজিক সমস্যা ও মানবীয় আচরণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়া। এর উদ্দেশ্য হলো সামাজিক জীবনের বিভিন্ন ঘটনা ও সমস্যা সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করা, যার মাধ্যমে সামাজিক সমস্যার কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ফরিদ আহমেদ সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি হিসেবে 'সামাজিক কার্যক্রম' (Social Action)-এর উপাদান অনুসরণ করেছেন।
সামাজিক কার্যক্রম হলো এমন একটি সহায়ক পদ্ধতি যা সামাজিক নীতি পরিবর্তন, সামাজিক আইনের সংস্কার ও কাঙ্ক্ষিত সামাজিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। উদ্দীপকে উল্লেখিত জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করা, সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করা, জনগণের মধ্যে অংশগ্রহণের অনুভূতি সৃষ্টি করা এবং জনমত গঠন করা—এগুলো মূলত সামাজিক কার্যক্রম প্রক্রিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ফরিদ আহমেদ তাঁর প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে এই সুনির্দিষ্ট উপাদানগুলো কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমেই সামাজিক কার্যক্রম পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সামাজিক কার্যক্রম পদ্ধতিতে জনমত সৃষ্টি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। যেকোনো সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধ, বিদ্যমান ত্রুটিপূর্ণ প্রথা পরিবর্তন বা সামাজিক আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বৃহত্তর জনগণের সক্রিয় সমর্থন প্রয়োজন হয়, যা জনমত সৃষ্টির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।
জনমত সৃষ্টির গুরুত্ব নিম্নরূপ:
১. সচেতনতা বৃদ্ধি: জনমত সৃষ্টির ফলে সমস্যাটি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর সচেতনতা তৈরি হয় এবং তারা এর ক্ষতিকর দিক উপলব্ধি করতে পারে।
২. আন্দোলনের গতিশীলতা: জনমত গঠিত হলে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ব্যাপক গতি ও গণআন্দোলনের রূপ পায়, যার ফলে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে বাধ্য হয়।
৩. নীতি ও আইন প্রণয়ন: জনমতের চাপে রাষ্ট্র ও সরকার জনকল্যাণমুখী নীতি বা আইন সংস্কার করতে বাধ্য হয়।
অতএব, উদ্দীপকে বর্ণিত কার্যক্রমে সামাজিক পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে জনমত সৃষ্টি এক অপরিহার্য উপাদান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও