সমাজকর্ম ২য় পত্র • বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন সংস্থা • Combined Board • চট্টগ্রাম, বরিশাল, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭

সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন

জামিল একটি এনজিওতে চাকরি করেন। তার প্রতিষ্ঠানে দশ থেকে বেশি বয়সের শ্রমজীবী ছেলে-মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।
তারপর তাদেরকে সামাজিকভাবে পুনর্বাসিত করার জন্য বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

  1. ক)

    ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতার নাম কী?

    (1)
  2. খ)

    গ্রামীণ ব্যাংকের মূল কাজ কী?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের জামিল কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা হলেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গ্রামীণ ব্যাংকের মূল কাজ হলো ভূমিহীন ও দরিদ্র গ্রামীণ জনগণকে জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন সাধন করা। বিশেষ করে গ্রামীণ নারীদের সংগঠিত করে সঞ্চয় গঠন ও স্বনির্ভরতা অর্জনে সহায়তা প্রদান করাই এর মূল লক্ষ্য।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের জামিল ‘ইউসেপ’ (UCEP - Underprivileged Children's Educational Programs) নামক এনজিওতে চাকরি করেন।

    ইউসেপ মূলত শহর অঞ্চলের দরিদ্র, পথশিশু ও শ্রমজীবী ছেলে-মেয়েদের জন্য কাজ করে থাকে। বিশেষ করে ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী সুবিধাবঞ্চিত ও শ্রমজীবী শিশু-কিশোরদের সাধারণ প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি কর্মমুখী বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা প্রদান করে স্বাবলম্বী করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, জামিল যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন সেখানে দশ থেকে বেশি বয়সের শ্রমজীবী ছেলে-মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয় এবং তাদের সামাজিকভাবে পুনর্বাসিত করতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই কার্যক্রমগুলো পুরোপুরি ইউসেপ-এর শিক্ষা ও পুনর্বাসনমূলক কর্মসূচির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং, জামিল ইউসেপ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইউসেপ (UCEP)-এর ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও কার্যকর।

    বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ, যেখানে দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতার কারণে অসংখ্য শিশু-কিশোর পড়ালেখা ছেড়ে শিশুশ্রমে যুক্ত হতে বাধ্য হয়। ইউসেপ এসব শ্রমজীবী ও ঝরে পড়া শিশুদের সাধারণ শিক্ষার সুযোগ তৈরি করে তাদের শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

    ইউসেপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো বৃত্তিমূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান। সংস্থাটি বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও কারিগরি ক্ষেত্রে (যেমন—ইলেকট্রিক্যাল, অটোমোবাইল, মেকানিক্যাল, সেলাই ইত্যাদি) দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে। ফলে এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবসমাজ সহজেই কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় অথবা আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তোলে, যা পরিবার ও দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক হয়।

    তাছাড়া, দক্ষ জনশক্তি দেশের শিল্পখাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে এবং অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়তা করে। তাই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের দক্ষ নাগরিকে রূপান্তর করে বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি সাধনে ইউসেপের গুরুত্ব অপরিসীম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন