গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • কুমিল্লা, যশোর, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    ছন্দ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    রং করা ও ছাপার মাধ্যমে বস্ত্রকে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়— বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থান শিল্প উপাদানের কোনটি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাদানগুলো কীভাবে ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়তা করে? আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নকশার বিভিন্ন অংশের মধ্যে সুষম ও ছন্দোময় গতিশীলতার ধারাবাহিক বিন্যাস বা চোখের অবিরাম সঞ্চালনকে ছন্দ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সাদামাটা বা একঘেয়ে বস্ত্রকে বিভিন্ন রং ও বৈচিত্র্যময় নকশায় সাজিয়ে তোলার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো রং করা ও ছাপা। ডাইং বা রং করার মাধ্যমে বস্ত্রকে নির্দিষ্ট কোনো একরঙা বা বহু রঙে রঞ্জিত করা যায়, যা বস্ত্রের আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে। অন্যদিকে ব্লকলিঙ্ক, স্ক্রিন প্রিন্টিং, বাটিক কিংবা ডিজিটাল প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে বস্ত্রের ওপর বিভিন্ন ধরনের নকশা, মোটিফ ও রঙের বৈপরীত্য সৃষ্টি করে নান্দনিকতা বৃদ্ধি করা হয়। ফলে বস্ত্রটি দেখতে সুন্দর ও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে শিল্প উপাদানের 'বর্ণ' বা 'রং' নির্দেশ করে।

    শিল্পকলার মৌলিক উপাদানগুলো হলো বর্ণ/রং, রেখা, আকার বা আকৃতি, জমিন এবং বিন্দু। উদ্দীপকে শিল্পকলার উপাদানের তালিকায় রেখা, আকার, জমিন এবং বিন্দু উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান 'বর্ণ' বা 'রং' অনুপস্থিত রয়েছে।

    শিল্পকলার উপাদান হিসেবে রঙের ভূমিকা অপরিসীম। রং হলো আলোর একটি বিশেষ রূপ যা বস্তুর রূপ ও সৌন্দর্যকে প্রস্ফুটিত করে তোলে। রঙের ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো নকশা বা শিল্পকর্মে গভীরতা, অনুভূতি এবং আকর্ষণীয়তা সৃষ্টি করা হয়। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও প্রান্তিক রঙের সঠিক সমন্বয়ে একটি সার্থক শিল্পকর্ম বা পোশাকের নকশা তৈরি হয়। সুতরাং, উদ্দীপকের ছকের শূন্যস্থানে 'রং' বা 'বর্ণ' নির্দেশিত হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পকলার উপাদানগুলো (রং, রেখা, আকার, জমিন ও বিন্দু) পোশাক ও ব্যক্তিত্বের সামঞ্জস্য বিধান করে ব্যক্তিত্বের সঠিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    ব্যক্তিত্ব হলো মানুষের সামগ্রিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ, যেখানে তার পোশাক-পরিচ্ছদ এবং উপস্থাপন একটি অন্যতম উপাদান। শিল্প উপাদানগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার শারীরিক গঠন, বয়স এবং পরিবেশ অনুযায়ী পোশাক নির্বাচন করতে পারে:
    ১. রং: সঠিক রঙের পোশাক পরিধান করলে মানুষের মানসিক ভাব ও ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে। যেমন—উষ্ণ বা উজ্জ্বল রং উদ্যম প্রকাশ করে এবং শান্ত রং মার্জিত রূপ দেয়। গায়ের রঙের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় করে।
    ২. রেখা: খাড়া রেখা ব্যক্তিকে দীর্ঘ ও স্লিম দেখায়, সমান্তরাল রেখা প্রশস্ততা বোঝায় এবং বক্ররেখা কমনীয়তা ফুটিয়ে তোলে। শরীরের ত্রুটি ঢেকে কাঙ্ক্ষিত রূপ প্রদানে রেখার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
    ৩. আকার: পোশাকের কাটিং ও ফিটিংস দেহের আকারের সাথে মানানসই হলে তা ব্যক্তিত্বকে মার্জিত ও সুষম করে তোলে।
    ৪. জমিন: কাপড়ের মসৃণতা, রুক্ষতা বা টেক্সচার ব্যক্তিবিশেষের ভাবগাম্ভীর্য বা কোমলতা প্রকাশে সাহায্য করে। যেমন—সুতির নরম জমিন পেশাগত জীবনে নির্ভরযোগ্যতা ও সহজ-সরল ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে।
    ৫. বিন্দু: বিন্দুজাতীয় মোটিফ বা অলংকরণ পোশাকে ভারসাম্য বজায় রেখে ব্যক্তির রুচিবোধকে ফুটিয়ে তোলে।

    অতএব, শিল্পকলার এসব উপাদানের সচেতন ও শৈল্পিক প্রয়োগের মাধ্যমে পোশাকের মাধ্যমে ব্যক্তির রুচি, সৌন্দর্যবোধ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়, যা সার্বিকভাবে ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক বিকাশ ঘটায়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন