Combined Board রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল বোর্ড ২০১৮
258টি প্রশ্ন
- 151.
জনাব রবিউল একটি 'ডিজি কেয়ার' নামক ডায়াগনস্টিক সেন্টার-এর মালিক। তিনি ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি পরিচালনার জন্য পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্র নিয়েছেন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সনদ নিয়েছেন।
- 152.
বিয়ের পর আয়েশা বেগম মহিলা অধিদপ্তর আয়োজিত বিউটিফিকেশন অ্যান্ড পার্লার-এর ওপর ছয় মাসের প্রশিক্ষণ নেন । তিনি নিজ শহরে ব্যাংক থেকে SME লোন নিয়ে ‘আয়েশা বিউটি পার্লার' স্থাপন করেন এবং সুনামের সাথে পরিচালনা করছেন ।
- 153.
রানা নীলফামারী সরকারি কলেজে সম্মান শ্রেণিতে পড়ার সময় দেখলো ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন কাজে ফটোকপি প্রয়োজন হয়। আশপাশে ফটোকপির দোকান না থাকায় তাদেরকে অনেক দূরে যেতে হয়। সে বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে কলেজ মোড়ে ফটোকপির দোকান দেয়। তার অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস ও সাহস তাকে সাফল্য এনে দেয়। তাকে দেখে এলাকার অনেকেই অনুপ্রাণিত হয় ।
- 154.
জনাব জাকিউল একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ের কাজে নানা জায়গায় তাকে মোবাইলে কথা বলতে হয়। মোবাইলের টাকা শেষ হলে অনেক দূরে গিয়ে ফ্লেক্সি করতে হয়। তাই তার বন্ধু পরামর্শ দিল বিকাশ অথবা রকেট-এ হিসাব খুলতে। তিনি পরামর্শ মোতাবেক হিসাব খোলার সিদ্ধান্ত নিলেন।
- 155.
মনোবিজ্ঞানের প্রভাষক হাফিজ স্যার ৩০ জন ছাত্রছাত্রীর একটি পরীক্ষা নেন। ৫০ নম্বরের পরীক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের রোল নং অনুযায়ী প্রাপ্ত নম্বর নিম্নরূপঃ২২ ২৫ ৪১ ৩৭ ১৬ ৩৫ ৩৯ ২৬ ২০ ২৭২৯ ৩০ ২৭ ৪২ ৩২ ৪০ ২৯ ৩১ ২৮ ৩৪৩৩ ২০ ২৬ ১৯ ৩৮ ২১ ৩৪ ৩৭ ৩১ ২৬
- 156.
সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্র সবুজ তার সমবয়সীদের তুলনায় প্রায় ১/১১২\frac{১}{২}ফুট লম্বা। অথচ তাদেরই অন্য বন্ধু কমল এত ছোট যে, তাকে দেখলে মনে হয় সে যেন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে।অন্যদিকে কণার দৈহিক গঠন সমবয়সীদের তুলনায় কিছুটা হালকা, পাতলা। তার দেহের তুলনায় উদর খানিকটা বড় এবং সে কিছুটা বোকা স্বভাবের।
- 157.
দুখু মিয়া একজন গরিব কৃষক। তার বড় ছেলে সুজন দশম শ্রেণি, এবং ছোট ছেলে সুমন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। সুমন পড়ালেখার কারণে একটি Dictionary-এর প্রয়োজন অনুভব করল। বাবার অসামর্থ্যের কথা ভেবে সে টিফিনের টাকা জমিয়ে দুই মাস পর একটি Dictionary কিনল। অপরদিকে সুজন তার বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বাবার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন চাইল। বাবার না সূচক উত্তরে সে উত্তেজিত হলো। তার জ্ঞানবুদ্ধি লোপ পেয়ে সে পড়াশুনা না করার ও বাড়ি ত্যাগের হুমকি দিল। পরবর্তীতে তার আচরণের জন্য বাবার কাছে ক্ষমা চাইল।
- 158.
রহিম দম্পতির যমজ ছেলে রাজু ও সাজু দেখতে একই রকম। তাদের গায়ের রং ও চুলের ধরনও একই রকম। সন্তানদের ছয় মাস বয়সে তারা বাস দুর্ঘটনায় মারা যান। রহিমের বড় বোন রাজুকে নিয়ে ঢাকা শহরে থাকেন এবং ছোট বোন সাজুকে নিয়ে গ্রামে বাস করেন। ১৫ বছর পর দেখা গেল রাজু ও সাজুর বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে মিল থাকলেও আচরণগত কাজে পার্থক্য রয়েছে।
- 159.
নিজাম সাহেব মটরবাইকে চড়ে অফিসে যান। একদিন তার ছেলে শিপন দোতলার বেলকুনিতে দাঁড়িয়ে গভীর আগ্রহে রাস্তার দিকে তাকিয়ে আছে কখন বাবা বাড়ি ফিরবে। রাস্তায় যে কোনো গাড়ির শব্দ হলেই সে ভাবে বাবা আসছে। অনেকক্ষণ দাঁড়ানোর পর হঠাৎ শিপন দেখলো পশ্চিম আকাশে বড় লাল সূর্য মেঘের মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছে । অতঃপর ক্লান্তি আসলে রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুমের মধ্যে বাবার ডাক শুনে জেগে উঠে। দেখলো বাবা এখনও বাসায় ফেরে নাই ।
- 160.
পিইসি পরীক্ষার পর মা লক্ষ করলেন পাখির বেশ কিছু পরিবর্তন হচ্ছে। তার হাতের পেশি বেশ শক্ত, কাঁধের আকৃতি বেশ চওড়া এবং গলার স্বরও কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। তার কপোলে ব্রণের মতো কি যেন দেখা যাচ্ছে। ফলে পাখিও আর আগের মতো বায়না ধরে না। একা- একা থাকতে চায়। সে মনে করে মা-বাবা তার কথায় গুরুত্ব দেয় না এবং আগের মতো ভালোও বাসে না। সে আরও মনে করে তার বায়নাগুলো পূরণ করতে তারা যেন অনীহা প্রকাশ করে। তাই সে অনেকটাই বিমর্ষ থাকে। তার ধারণা তার পছন্দের কেনাকাটার ক্ষেত্রেও মা-বাবা কঠোরতা দেখাচ্ছে। তাই সে ভাবছে বড় হয়ে এমন এক পেশা নির্বাচন করবে যার উপার্জন দিয়ে সে তার সকল ইচ্ছা পূরণ করবে ।
- 161.
দৃশ্যকল্প-১: শিক্ষকের কঠোরতার কারণে সীমার আচরণে এক ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। সে এখন বই-খাতা দেখলে ভয় পায় । বিষয়টি নিয়ে তার বাবা-মা ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়েন। বাবা-মা তাকে নিয়ে একজন মনোবিজ্ঞানীর শরণাপন্ন হন। এতে সীমা ক্রমেই সুস্থ হয়ে ওঠে। দৃশ্যকল্প-২: বাবা ছেলেকে বললেন, "সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। পূর্বের এই ভুল স্বীকৃত ধারণাটি বিজ্ঞানী গ্যালিলিও সর্বপ্রথম প্রমাণ- উপস্থাপন করে বলেন, “পৃথিবীই সূর্যের চারদিকে ঘোরে।” ধারণাটি পরবর্তীতে সকলেই গ্রহণ করে স্বাভাবিক জীবনযাপনের পথকে সাবলীল করেছে।
- 162.
মলিকে পূর্বে দেখানো জিনিসগুলোর সাথে সমপরিমাণ নতুন জিনিস মিশিয়ে দেয়া হয় এবং সেগুলো থেকে পূর্বের দেখানো জিনিসগুলো শনাক্ত করতে বলা হয়। এতে সে অর্ধেক সঠিক এবং অর্ধেক ভুল করলেও তার প্রাপ্ত সাফল্যাংক শূন্য হয়। মলির ছোট ভাই মিলন TV-তে তার প্রিয় ফুটবল খেলা দেখছিল। ওই সময় TV পর্দায় মাঝে মাঝে ৬°C তাপমাত্রার নির্দেশনা দেখা যায়। এ সময় বাবা বললেন, আজকে যা শীত মনে হয় তাপমাত্রা ৫°C এর নিচে। কিন্তু মিলন বলল না বাবা আজকের তাপমাত্রা ৬°C।
- 163.
দৃশ্যকল্প-১: “সুশৃঙ্খল জ্ঞান মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।” দৃশ্যকল্প-২: পরিপাটি পোশাক মানুষের রুচিবোধের পরিচায়ক।
- 164.
কাশেম সাহেব একজন শিক্ষক। তার পড়ানোর বিষয় কোনো কিছুর সংখ্যা, পরিমাণ, আকার ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে। এতে ভাষার পরিবর্তে প্রতীক ও সংকেত ব্যবহার করে সংক্ষেপে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়। কাশেম সাহেবের বন্ধু রফিক সাহেব একজন ব্যবসায়ী । তিনি সর্বদা তার ক্রেতা ও কর্মচারীদের সাথে ভালো ব্যবহার করেন । তিনি নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি করেন। পণ্যের গুণগত মান ও পরিমাণের বিষয়ে তিনি ক্রেতার সাথে প্রতারণা করেন না।
- 165.
দৃশ্যকল্প-১ : আবিদুর রহমান একজন ‘শিক্ষিত’, ‘সৎ' ও ‘দয়ালু’ ব্যক্তি । তার ‘সৎ সাহসের' জন্য তিনি সর্বত্রই প্রশংসিত।দৃশ্যকল্প-২ :
- 166.
- 167.
সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।
ধারণা-১: 'সকল কোকিল হয় কালো।'ধারণা-২: সকল গরু হয় গৃহপালিত চতুষ্পদী প্রাণী।'
- 168.
উদাহরণ-১শিক্ষক মেধাবী এক ছাত্রের কিছুদিন ক্লাসে অনুপস্থিতি লক্ষ করে মনে মনে ধারণা করলেন; ছাত্রটি অসুস্থ।উদাহরণ-২সকল মানুষ হয় মরণশীল ।সকল চাকুরীজীবী হয় মানুষ । সকল চাকুরীজীবী হয় মরণশীল ।উদাহরণ-৩দোয়েল হয় মরণশীল ।কোকিল হয় মরণশীল ।ময়না হয় মরণশীল । সকল পাখি হয় মরণশীল ।
- 169.
তথ্য-১ | তথ্য-২
আশ্রয়বাক্য : A—Bসিদ্ধান্ত : B—A | আশ্রয়বাক্য : A—Bআশ্রয়বাক্য : c–Aসিদ্ধান্ত : C—B - 170.
দৃষ্টান্ত-১ | দৃষ্টান্ত-২ | দৃষ্টান্ত-৩
কিছু লিচু নয় মিষ্টি কিছু মিষ্টি ফল নয় লিচু । | কিছু ছাত্র হয় পড়ুয়া কিছু পড়ুয়া মানুষ হয় ছাত্র। | সকল বক হয় সাদা কিছ সাদা পাখি হয় বক। - 171.
যুক্তি-১ : সূর্য পশ্চিম দিকে হারিয়ে যায়।যুক্তি-২ :
- 172.
- 173.
দ্রষ্টান্ত-১ | দৃষ্টান্ত-২
ছাত্রটি মেধাবী অথবা চালাক।ছাত্রটি মেধাবী। ছাত্রটি চালাক। | pvqp q - 174.
- 175.
এর দ্রাব্যতা গুণফল
- 176.
মৌল X Y Z পারমাণবিক সংখ্যা 13 20 30 - 177.
- 178.
[HA একটি জৈব এসিড যার Ka = 1.8 × 10-4 ও M এর পারমাণবিক সংখ্যা 19]
- 179.
তাপ।বিক্রিয়াটি 25°C তাপমাত্রায় । atm চাপে 10% বিয়োজিত হয়।
- 180.
- 181.
রসায়নাগারে অতি সতর্কতার সাথে যে সকল পদার্থ ব্যবহৃত হয় তা হলো-
i. গাঢ় সালফিউরিক এসিড
ii. তরল অ্যামোনিয়া
iii. সোডিয়াম ধাতু
iv. পটাসিয়াম ফেরোসায়ানাইড - 182.
ইসমাইল শেখ তারুণ্যদীপ্ত একজন টগবগে যুবক। দেশে নিজের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পেরে অবশেষে সে মালয়েশিয়াতে কাজের সন্ধানে পাড়ি জমালো। প্রায় দশ বছর পর নিজ এলাকায় ফিরে ইসমাইল শেখ অবাক হয়ে গেলো। কেননা অনেক ছোট-বড় কারখানা গড়ে উঠেছে এলাকায়। আরও গড়ে উঠেছে অসংখ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। কাজের সন্ধানে তাদের এখন অন্য এলাকায় যেতে হয় না।
- 183.
সীতানাথ বসু এবং রিয়াজুল ইসলাম একই গ্রামের বাসিন্দা। ধার্মিক ও দানশীল হিসাবে উভয়েরই গ্রামে যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। জীবন সায়াহ্নে এসে উভয়েই স্রষ্টার সন্তুষ্টি এবং জনকল্যাণের জন্য তাদের সম্পত্তির একটা বড় অংশ যে যার ধর্মমতে। আইনের সাহায্য নিয়ে দান করে দিলেন। উক্ত দানকৃত সম্পত্তির দ্বারা গ্রামে মন্দির মসজিদ, বিদ্যালয়সহ নানা জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। গড়ে উঠতে লাগলো।
- 184.
বলা হচ্ছে সেই দেশটির কথা যেটি পূর্ব এশিয়ার সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে খ্যাত। দেশটিতে সমাজকর্মের শিক্ষার মান উন্নত হলেও পেশা হিসেবে তা স্বীকৃত হয়নি।
- 185.
মিসেস শায়লা একজন কলেজ শিক্ষক। শিক্ষকতা তার পেশা হলেও নিজের অন্য ধরনের একটি শখ আছে। সময় সুযোগ পেলেই তিনি, তার শখ পূরণে লেগে যান। তার শখ হচ্ছে আশেপাশের মানুষদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে সেসব আচরণের পেছনে যেসব চালনা শক্তি। রয়েছে সেগুলো উদঘাটন করা।
- 186.
শাহেদ এবং কবির বাল্যবন্ধু। শাহেদ জ্ঞানের নির্দিষ্ট একটি শাখায় সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জনের পর সেই জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে জীবিকা অর্জনের পথ বেছে নিয়েছে। অপরদিকে দুর্ভাগা কবিরকে হঠাৎ করে বাবা মারা যাবার কারণে লেখাপড়া ছেড়ে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে। বসত বাড়িটি ছাড়া বাবা আর কোনো সম্পত্তিই রেখে যেতে পারেননি। উপায়ন্তর না পেয়ে অবশেষে কবির জীবিকার জন্য অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজে লেগে গেল।
- 187.
'ক' নামক রাষ্ট্রটি একটি নব্য স্বাধীন রাষ্ট্র। দেশটি পুনর্গঠনের কাজে হাত নিয়ে সরকারকে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হলো। দেশটিতে জনবসতির ঘনত্ব অন্যান্য রাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি। সাধারণ চাহিদা তো দূরের কথা, মৌল মানবিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা। করাই দেশটির সরকারের পক্ষে দুরূহ হয়ে উঠলো।
- 188.
কদম আলী ঢাকা শহরের একটি ছোটখাটো ভিক্ষুক দলের সর্দার। তার ভিক্ষুক দলে রয়েছে শারীরিক এবং বাকপ্রতিবন্ধী চারজন সদস্য। এছাড়া রয়েছে দিপু নামের এক অনাথ শিশু। এরা সকলেই নানা অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে পথচারীদের সহানুভূতিপূর্ণ দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভিক্ষা আদায় করে।
- 189.
বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী সন্তান নিয়ে তাহসান সাহেবের সুখের সংসার। সকালে সন্তানকে স্কুলে দিয়েই অফিসে চলে যান। অফিস শেষ করেই বাসায় ফিরে মা-বাবার খোঁজ নেন। তারপর পরিবারের সকলের সাথে আনন্দে মেতে উঠেন। কখনও কখনও সবাইকে নিয়ে বাইরে কোথাও আনন্দ ভ্রমণেও বের হন। পরিবারের সদস্যরা একে অপরের প্রতি খুবই সহানুভূতিশীল।
- 190.
রিনার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সবেমাত্র শেষ হয়েছে। আর কিছুদিনের মধ্যে স্নাতক শ্রেণির ভর্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে তাকে। তার জন্য যথাযথ প্রস্তুতিও চলছে। অবশেষে এমন একটি বিষয়ে তার উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ হয় যেটির জন্ম হয়েছে আধুনিক জটিল শিল্প সমাজের বহুমুখী সমস্যাগুলো সার্থকভাবে মোকাবিলা করার জন্য। বাস্তবতা এবং যুগের সাথে তাল মেলানোর জন্য বিষয়টির কতগুলো সুনির্দিষ্ট নিজস্ব পদ্ধতি, নীতিমালা এবং মূল্যবোধও গড়ে উঠেছে।
- 191.
- 192.
ধন্যাঢ্য পরিবারের মেয়ে অতসী দেবনাথ। মহা ধুমধামের সাথে তার বিয়ে হল আর এক ধনাঢ্য পরিবারের ছেলে অভিজিৎ সাহার সাথে। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অতসীর স্বামী মারা যাওয়ায় তাকে বাবার বাড়িতে ফিরে আসতে হল। বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে মা-বাবা ও আত্মীয়-স্বজনের সহায়তায় কিছুদিনের মধ্যে অতসী শোক কাটিয়ে উঠলো। মেয়ের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে মা-বাবা পুনরায় সৎ ও যোগ্য পাত্র ইন্দ্রজিৎ এর সাথে মেয়েকে বিয়ে দিলেন
- 193.
জনাব হামিদ 'এসএস চট্টগ্রাম' নামক একটি সংস্থা গড়ে তোলেন। সংস্থাটি অন্যান্য কার্যক্রমের পাশাপাশি শহরের কর্মজীবী শিশুদের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার ব্যবস্থা করে। সম্প্রতি এটি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করেছে।
- 194.
গণমাধ্যম বিষয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের এক পর্যায়ে শিক্ষক গণমাধ্যম বিষয়ক আলোচনা করেন। গণমাধ্যম জনগণের নিকট প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তথ্য সরবরাহ করে। জনগণ সরাসরি তা দেখতে, শুনতে ও পড়তে পারেন। তিনি কিছু গণমাধ্যমের উদাহরণ দেন। যেমন- রেডিও, টিভি, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ইত্যাদি। এসব মাধ্যমসমূহ জনমত গঠনে সহায়তা করে।
- 195.
বিগত বছরে হাওর অঞ্চলে অকাল বন্যায় কৃষকের প্রধান ফসল ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্লাস বন্ধ থাকে। জরুরি চিকিৎসা সেবায়ও সংকট দেখা দেয়। আয়-রোজগার 'না থাকায় অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত ঘর-বাড়ি মেরামত। করতে পারেনি।
- 196.
রাফি একটি মেডিকেল কলেজের ছাত্র। চূড়ান্ত পরীক্ষায় পাস করার পর তাকে বাধ্যতামূলকভাবে এক বছরের ইন্টার্নশিপ করতে হবে যেন সে তার অর্জিত তাত্ত্বিক জ্ঞান রোগীদের নিরাময়ে ব্যবহার করতে পারে। সমাজকর্মের শিক্ষার্থীদের ও বাস্তবজ্ঞান অর্জনের জন্য ইন্টার্নশিপের অনুরূপ দায়িত্ব পালন বাধ্যতামূলক।
- 197.
মস্তিষ্কের বিকাশজনিত এক ধরনের প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে কাজ করছেন জনাব সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। এ প্রতিবন্ধিতার শিকার শিশুদের প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন আনয়ন, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ক্ষেত্রে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৭ সালে এই মহতী কর্মের জন্য তাকে দক্ষিণ এশিয়ার 'চ্যাম্পিয়ন' সম্মানে ভূষিত করে।
- 198.
জনাব মিজান একজন সমাজ সচেতন ব্যক্তি। তিনি কক্সবাজর জেলার 'Save Rohinga' নামে একটি মানব হিতৈষী সংস্থা গড়ে তোলেন। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে রাখাইন থেকে আগত শরণার্থীদের মানবিক সাহায্য প্রদান। এজন্য তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা থেকে ব্যাপক অর্থ সংগ্রহ করেন।
- 199.
রবিন ও তার স্ত্রী দু'জনে ব্যাংক কর্মকর্তা। রবিনের বাবা সম্প্রতি অবসরে গেছেন। রবিন তার বাবার তেমন খোঁজ-খবর রাখতে পারে না। বাবার সাথে মাঝেমাঝেই তার ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। তাই রবিন বাবাকে বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে। পাঠিয়েছে যেখানে থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে।
- 200.
অর্কের বয়স ১৫ বছর। সে যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় অপরাধী। একটি বিশেষ আদালতে তাকে হাজির করা হলে আদালত শর্তসাপেক্ষে তাকে মুক্তি দিল।