ভূগোল ১ম পত্র • সমুদ্রস্রোত ও জোয়ার-ভাটা • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০২৬
ভূগোল ১ম পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
দোয়াব কাকে বলে?
- খ)(2)
শৈবাল সাগর কী? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত জোয়ার—'ক' এর বর্ণনা দাও।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত জোয়ার—'খ' কীভাবে সংগঠিত হয়? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পাশাপাশি প্রবাহিত দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিরূপকে দোয়াব বলা হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর অংশে উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত, শীতল ক্যানারি স্রোত এবং উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের চক্রাকার গতির ফলে এর মধ্যবর্তী বিশাল এলাকা স্রোতহীন ও শান্ত থাকে। এই শান্ত জলভাগে প্রচুর পরিমাণে শৈবাল, গুল্মলতা ও অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ জন্মায় ও ভেসে থাকে। শৈবালের প্রাচুর্যের কারণে শান্ত জলের এই বিশেষ সামুদ্রিক অঞ্চলকে 'শৈবাল সাগর' বা 'সারগাসো সাগর' বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'জোয়ার-ক' হলো প্রত্যক্ষ জোয়ার বা মুখ্য জোয়ার।
চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ বলের প্রভাবে পৃথিবীর যে অংশ সরাসরি চাঁদ বা সূর্যের সম্মুখে বা নিকটতম অবস্থানে আসে, সেখানে পানির ওপর আকর্ষণ শক্তি সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়। উদ্দীপকের চিত্রে দেখা যায়, পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করছে (অমাবস্যা তিথি)। চাঁদের সম্মুখবর্তী পৃথিবীর অংশটিতে চাঁদের দূরত্ব সবচেয়ে কম হওয়ায় তার মহাকর্ষীয় টান সবচেয়ে তীব্র হয়। পাশাপাশি সূর্যের আকর্ষণ শক্তিও একই দিকে কাজ করে। ফলে ওই অংশের সমুদ্রের জলরাশি প্রবলভাবে ফুলে ওঠে এবং জোয়ারের সৃষ্টি করে। চাঁদের প্রত্যক্ষ বা প্রত্যক্ষতম আকর্ষণে সরাসরি তার সম্মুখে সৃষ্ট এই জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রদর্শিত 'জোয়ার-খ' হলো গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার, যা মূলত পৃথিবীর আবর্তনজনিত কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সংঘটিত হয়।
সংঘটনের কারণ ও প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ:
১. মহাকর্ষ বলের দূরত্বের প্রভাব: চাঁদের ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত পৃথিবীর পৃষ্ঠভাগ (চিত্রের 'জোয়ার-খ' অংশ) চাঁদ থেকে সবচেয়ে বেশি দূরে থাকে। নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রানুসারে, দূরত্বের কারণে এ অংশে চাঁদের আকর্ষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম থাকে।
২. কেন্দ্রাতিগ শক্তির ভূমিকা: পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর অবিরাম আবর্তনের ফলে একটি কেন্দ্রাতিগ বা বহির্মুখী বলের (Centrifugal force) সৃষ্টি হয়। চাঁদের সম্মুখবর্তী অংশে চাঁদের মহাকর্ষ বল এই কেন্দ্রাতিগ শক্তির চেয়ে বেশি কার্যকর হলেও বিপরীত প্রান্তে চাঁদের আকর্ষণ খুবই দুর্বল হওয়ায় সেখানে কেন্দ্রাতিগ বল প্রধান ভূমিকা পালন করে।
৩. পানির স্ফীতি: কেন্দ্রাতিগ শক্তির বহির্মুখী টানে পৃথিবীর বিপরীত পৃষ্ঠের জলরাশি বাইরের দিকে ছিটকে যাওয়ার প্রবণতা লাভ করে এবং ফুলে ওঠে।এভাবে চাঁদের আকর্ষণহীন বা দুর্বল আকর্ষণযুক্ত বিপরীত অংশে পৃথিবীর আবর্তনজনিত কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে গৌণ জোয়ার বা 'জোয়ার-খ' সংঘটিত হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও