‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব : বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

নবাব পরিবারে বেড়ে ওঠা একজন দূরদর্শী নেতা বঙ্গভঙ্গ ও সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, শিক্ষা দীক্ষায় উন্নত না হলে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান না শিখলে মুসলমানরা নিজেদের পৃথক অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারবে না। তিনি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

  1. ক)

    কার উদ্যোগে বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?

    (1)
  2. খ)

    প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন দূরদর্শী নেতার কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত নেতার অবদানসমূহ বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (সি. আর. দাশ) উদ্যোগে ১৯২৩ সালে বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে একটি রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে কোনো প্রদেশ বা অঞ্চলের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়াবলি স্বাধীনভাবে পরিচালনার ক্ষমতাকে বোঝায়। এ ব্যবস্থায় সংবিধানের মাধ্যমে ক্ষমতা বণ্টন করা হয় এবং কেন্দ্র নির্দিষ্ট কিছু জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছাড়া প্রদেশের স্থানীয় ও অভ্যন্তরীণ নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করে না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহর কথা বলা হয়েছে।

    নবাব সলিমুল্লাহ ছিলেন তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার একজন দূরদর্শী ও প্রভাবশালী মুসলিম রাজনৈতিক নেতা। উদ্দীপকে উল্লেখিত ব্যক্তি নবাব পরিবারে বেড়ে ওঠেন, বঙ্গভঙ্গ ও ১৯০৬ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন এবং মুসলিম জনগোষ্ঠীর পশ্চাৎপদতা দূরীকরণে শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এ সকল ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য ও কর্মকাণ্ড সরাসরি নবাব স্যার সলিমুল্লাহকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উপমহাদেশের মুসলমানদের রাজনৈতিক জাগরণ ও শিক্ষা বিস্তারে নবাব স্যার সলিমুল্লাহর অবদান ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    প্রথমত, তিনি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। এর ফলে নবগঠিত 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশের পিছিয়ে পড়া মুসলিম সমাজ প্রশাসন ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার মুখ দেখে।

    দ্বিতীয়ত, মুসলিমদের রাজনৈতিক অধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে তাঁরই উদ্যোগে ১৯০৬ সালে ঢাকায় সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তীকালে উপমহাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়।

    তৃতীয়ত, শিক্ষা বিস্তারে তিনি অসামান্য অবদান রাখেন। মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য তিনি বিশেষ জোর দেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর দান ও দাবির ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।

    সুতরাং, অনগ্রসর বাঙালি মুসলিম সমাজকে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ এবং শিক্ষাদীক্ষায় অগ্রসর করতে নবাব সলিমুল্লাহর অবদান অবিস্মরণীয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন