ভূগোল ২য় পত্র • মানব ভূগোল • Combined Board • ঢাকা, যশোর, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    মানব ভূগোল কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    অঞ্চল কী? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত শাখা-১ এর বর্ণনা দাও।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত শাখা-২ পাঠের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ভূপৃষ্ঠে মানুষের সাথে প্রাকৃতিক পরিবেশের সম্পর্ক এবং স্থানভেদে মানবীয় কর্মকাণ্ডের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া ও বণ্টন সংক্রান্ত অধ্যয়নকে মানব ভূগোল (Human Geography) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অঞ্চল হলো ভূপৃষ্ঠের এমন একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা, যা এক বা একাধিক সমজাতীয় বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে আশপাশের অন্যান্য এলাকা থেকে স্বতন্ত্র ও পৃথক।

    ভূগোলবিদদের মতে, প্রাকৃতিক উপাদান (যেমন- জলবায়ু, ভূপ্রকৃতি, মৃত্তিকা) অথবা অপ্রাকৃতিক/সাংস্কৃতিক উপাদান (যেমন- ভাষা, সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড)-এর সমরূপতার ওপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা দ্বারা বেষ্টিত ভূখণ্ডকে অঞ্চল বলা হয়। যেমন— মরু অঞ্চল, পাহাড়ি অঞ্চল বা কোনো অর্থনৈতিক অঞ্চল।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত শাখা-১ মানব ভূগোলের 'সামাজিক ভূগোল' (Social Geography)-কে নির্দেশ করে।

    সামাজিক ভূগোল হলো মানব ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা, যেখানে ভৌগোলিক স্থান বা অঞ্চলের প্রেক্ষিতে সমাজের নানা উপাদান ও মানুষের সামাজিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হয়। নিচে এর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেওয়া হলো:
    ১. বিষয়বস্তু: এ শাখায় সমাজের গঠন, সামাজিক স্তরবিন্যাস, জাতি, বর্ণ, ধর্ম, সামাজিক বৈষম্য, মানব বসতির ধরন ইত্যাদি পরিবেশের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত তা আলোচনা করা হয়।
    ২. মানুষের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া: স্থানভেদে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সামাজিক আচার-আচরণ, ঐতিহ্য এবং তাদের জীবনযাত্রার মানের ভিন্নতা বিশ্লেষণ করাই এ শাখার মূল কাজ।
    ৩. সামাজিক সমস্যা ও সমাধান: সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা যেমন— দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, অপরাধ, লিঙ্গবৈষম্য ইত্যাদির আঞ্চলিক কারণ ও প্রভাব খতিয়ে দেখা সামাজিক ভূগোলের আওতায় পড়ে।
    সুতরাং, সমাজের সার্বিক বিষয়াদি স্থানিক দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করায় শাখা-১ দ্বারা সামাজিক ভূগোলকে তুলে ধরা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত শাখা-২ মানব ভূগোলের 'অর্থনৈতিক ভূগোল' (Economic Geography)-কে নির্দেশ করে, কারণ এতে মানুষের অর্থনৈতিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করা হয়। মানবজীবনে অর্থনৈতিক ভূগোল পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম।

    নিচে অর্থনৈতিক ভূগোল পাঠের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো:
    ১. সম্পদের বণ্টন ও ব্যবহার জানা: পৃথিবীর প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক সম্পদ (যেমন- কৃষি, খনিজ, বনজ ইত্যাদি) কোথায় কীভাবে বিস্তৃত এবং সেগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার কীভাবে করা সম্ভব, তা এ শাখা পাঠের মাধ্যমে জানা যায়।
    ২. অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্থানিক বিন্যাস: মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রাথমিক, মাধ্যমিক, প্রগৌণ ও অন্যান্য যেসব অর্থনৈতিক কাজ করে, সেগুলোর অবস্থানগত কারণ ও প্রভাব ব্যাখ্যা করতে এটি সাহায্য করে।
    ৩. শিল্প ও বাণিজ্যের বিস্তার: শিল্প-কারখানা স্থাপনের ভৌগোলিক সুযোগ-সুবিধা এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতি বোঝার জন্য এ শাখার জ্ঞান অপরিহার্য।
    ৪. টেকসই অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন: কোনো দেশ বা অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সম্পদের অপচয় রোধে অর্থনৈতিক ভূগোলের তথ্য ও বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    অতএব, মানুষের জীবিকা, উন্নয়ন ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য উদ্দীপকের শাখা-২ অর্থাৎ অর্থনৈতিক ভূগোল পাঠের গুরুত্ব অত্যন্ত ব্যাপক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন