পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • জনমত ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
লতিফ ও সবুজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করে। জাতীয় নির্বাচনে তারা গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ভোট প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং তারা মনে করে বাষ্ট্রের পতি তাদের এই দায়িত্ব পালন করা উচিত।
- ক)(1)
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে?
- খ)(2)
সর্বজনীন ভোটাধিকার বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
লতিফ ও সবুজ কোন ধরনের অধিকার প্রয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে?- ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত অধিকারটি অন্য অধিকার ভোগের ক্ষেত্রে অধিকতর গুরুত্ব বহন করে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতি বছর ১০ই ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, সম্পদ বা সামাজিক মর্যাদা নির্বিশেষে রাষ্ট্রের প্রাপ্তবয়স্ক সকল সুস্থ ও স্বাভাবিক নাগরিকের ভোটাধিকার থাকাকে সর্বজনীন ভোটাধিকার বলে। এটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি এবং রাজনৈতিক সমতার বহিঃপ্রকাশ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে লতিফ ও সবুজ 'রাজনৈতিক অধিকার' প্রয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
যেসব অধিকার ভোগের মাধ্যমে নাগরিকরা রাষ্ট্রের শাসনকার্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়, সেগুলোকে রাজনৈতিক অধিকার বলে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান অধিকার হলো ভোটাধিকার। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি বাছাই করার অধিকার প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকার।
উদ্দীপকে লতিফ ও সবুজ জাতীয় নির্বাচনে গ্রামে গিয়ে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা মনে করে রাষ্ট্রের প্রতি এটি তাদের একটি নাগরিক দায়িত্ব। ভোটদানের এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাগরিক রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণ ও সরকার গঠনে অংশ নেয়। তাই তাদের গৃহীত এই সিদ্ধান্তটি তাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগেরই স্পষ্ট প্রতিফলন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
লতিফ ও সবুজের প্রয়োগকৃত অধিকারটি হলো ভোটাধিকার বা রাজনৈতিক অধিকার, যা অন্যান্য অধিকার (যেমন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার) ভোগের ক্ষেত্রে অধিকতর গুরুত্ব বহন করে।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক অধিকার, বিশেষ করে ভোটাধিকার অন্যান্য অধিকারের চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে। নাগরিকরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে এমন একটি সরকার গঠন করে, যা তাদের সামাজিক নিরাপত্তা, জীবনের অধিকার এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে। যদি নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার সুরক্ষিত না থাকে, তবে সমাজ স্বৈরাচারী হয়ে পড়তে পারে, যার ফলে সাধারণ মানুষের বাকস্বাধীনতা, চলাফেরার স্বাধীনতা, কর্মসংস্থানের অধিকার ও জানমালের নিরাপত্তা বিপন্ন হয়।
ভোটাধিকারের মাধ্যমে জনগণ সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। সরকার জনস্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করলে পরবর্তী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে তার পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব হয়। ফলে রাজনৈতিক অধিকার অন্য সকল নাগরিক ও মানবিক অধিকার নিশ্চিত ও সংরক্ষণের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজনৈতিক অধিকারটি সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করা গেলে অন্যান্য সকল অধিকার নির্বিঘ্নে ভোগ করা সম্ভব হয়, তাই এটি অধিকতর গুরুত্ব বহন করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও