পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

দল/জোটপ্রাপ্ত আসনদল/জোটপ্রাপ্ত আসন
A০৯K১৬৭
B২২৩L৮৮
  1. ক)

    সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কে ছিলেন?

    (1)
  2. খ)

    পাকিস্তান সরকার আগরতলা মামলা দায়ের করে কেন?

    (2)
  3. গ)

    ছক-১ এ পাকিস্তান আমলের কোন নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ছক-২ এর নির্বাচন বাঙালিদের স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে ধাবিত করে- উদ্দীপক ও পাঠ্যপুস্তকের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন শামসুল আলম।

  2. খ)

    ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবুর রহমানসহ কয়েকজন বাঙালিকে অভিযুক্ত করে আগরতলা মামলা দায়ের করে। অভিযোগ ছিল, তাঁরা ভারতের সহায়তায় পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র করেছেন। প্রকৃতপক্ষে ছয় দফাভিত্তিক বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন দমন করাই ছিল সরকারের উদ্দেশ্য।

  3. গ)

    ছক-১-এ ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক আইনসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে।

    ব্যাখ্যা: ছক-১-এ B জোট ২২৩টি এবং A দল মাত্র ৯টি আসন পেয়েছে। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি আসনে জয়ী হয় এবং মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন। সুতরাং B হলো যুক্তফ্রন্ট এবং A হলো মুসলিম লীগ। যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা কর্মসূচি নিয়ে নির্বাচন করেছিল।

  4. ঘ)

    ছক-২ ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনকে নির্দেশ করে। এই নির্বাচন বাঙালিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে ধাবিত করেছিল।

    বিশ্লেষণ:
    ১. নিরঙ্কুশ গণরায়: ছক-২-এ K দল ১৬৭টি আসন পেয়েছে, যা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ফল। দলটি ছয় দফার ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের প্রায় সব আসনে জয়ী হয়।
    ২. সংখ্যাগরিষ্ঠতা: জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের বৈধ অধিকার পায়। L দল ৮৮টি আসন পেয়ে সংখ্যালঘিষ্ঠ থাকে।
    ৩. ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি: পাকিস্তানি শাসকরা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে টালবাহানা করলে বাঙালির মধ্যে ক্ষোভ বাড়ে এবং অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের পথ তৈরি হয়।

    সুতরাং, ১৯৭০-এর নির্বাচনের ফলাফল অস্বীকার করাই বাঙালিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে ধাবিত করেছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন