ইতিহাস ২য় পত্র • হিটলার ও মুসোলিনির উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩
ইতিহাস ২য় পত্র প্রশ্ন
সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।
একই রকম রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী হওয়ায় টনি ও জনির মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়। বনিও তাদের বন্ধু হলে তারা তাদের সমন্বিত শক্তি আশেপাশে প্রয়োগ করতে শুরু করে। ফলে পার্শ্ববর্তী এলাকার সম ও বিপরীত আদর্শে বিশ্বাসীরা তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- ক)(1)
পার্ল হারবার কী?
- খ)(2)
ফ্যাসিবাদের উদ্দেশ্যসমূহ লেখো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের পারস্পরিক সম্পর্ক তৈরির বিষয়টির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ঘটনার মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত জোটের সমন্বিত শক্তির অপপ্রয়োগই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটনের অন্যতম কারণ- বিশ্লেষণ করো।পার্ল হারবার হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিভুক্ত হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত একটি নৌ ও বিমানঘাঁটি।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: 'ঘ' অংশের শেষে সংযুক্ত 'পার্ল হারবার হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিভুক্ত হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত একটি নৌ ও বিমানঘাঁটি।' বাক্যটি প্রশ্নপত্রের অনাকাঙ্ক্ষিত মুদ্রণ প্রমাদ এবং এটি 'ক' অংশের উত্তর থেকে ভুলবশত যুক্ত হয়েছে।
পার্ল হারবার হলো প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের ওহু (Oahu) দ্বীপের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: 'ঘ' অংশের শেষে সংযুক্ত 'পার্ল হারবার হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিভুক্ত হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত একটি নৌ ও বিমানঘাঁটি।' বাক্যটি প্রশ্নপত্রের অনাকাঙ্ক্ষিত মুদ্রণ প্রমাদ এবং এটি 'ক' অংশের উত্তর থেকে ভুলবশত যুক্ত হয়েছে।
ফ্যাসিবাদ হলো চরম উগ্র জাতীয়তাবাদী ও সর্বাত্মকবাদী একনায়কতান্ত্রিক মতাদর্শ। ফ্যাসিবাদের মূল উদ্দেশ্যসমূহ হলো:
১. রাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ সার্বভৌমত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করে ব্যক্তির যাবতীয় অধিকার ও স্বার্থকে রাষ্ট্রীয় স্বার্থের অধীনে বিলীন করা।
২. উগ্র জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটিয়ে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, বিরোধী মত ও দল দমন এবং আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে সাম্রাজ্য বিস্তার করা। - গ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: 'ঘ' অংশের শেষে সংযুক্ত 'পার্ল হারবার হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিভুক্ত হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত একটি নৌ ও বিমানঘাঁটি।' বাক্যটি প্রশ্নপত্রের অনাকাঙ্ক্ষিত মুদ্রণ প্রমাদ এবং এটি 'ক' অংশের উত্তর থেকে ভুলবশত যুক্ত হয়েছে।
উদ্দীপকে বর্ণিত পারস্পরিক সম্পর্ক তৈরির বিষয়টির সাথে পাঠ্যবইয়ের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত 'রোম-বার্লিন-টোকিও অক্ষচুক্তি' বা 'অক্ষশক্তি' (Axis Powers) গঠনের মিল রয়েছে।
উদ্দীপকে একই আদর্শের টনি ও জনির বন্ধুত্বের পর বনি যুক্ত হয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় সমন্বিত শক্তি গঠন করে। পাঠ্যবইয়ের ইতিহাস অনুযায়ী, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইউরোপে ফ্যাসিবাদী ও নাৎসি মতাদর্শের বিকাশ ঘটে। অভিন্ন রাজনৈতিক স্বার্থ ও কর্তৃত্ববাদী আদর্শের কারণে ১৯৩৬ সালে ইতালির মুসোলিনি ও জার্মানির হিটলার মিলে 'রোম-বার্লিন অক্ষ' গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে ১৯৪০ সালে এশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকামী জাপান এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলে তা 'রোম-বার্লিন-টোকিও অক্ষ' বা অক্ষশক্তিতে রূপ নেয়। উদ্দীপকের টনি, জনি ও বনির ঐক্যবদ্ধ হওয়া মূলত জার্মানি, ইতালি ও জাপানের সমন্বয়ে গঠিত অক্ষশক্তিকেই নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: 'ঘ' অংশের শেষে সংযুক্ত 'পার্ল হারবার হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিভুক্ত হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত একটি নৌ ও বিমানঘাঁটি।' বাক্যটি প্রশ্নপত্রের অনাকাঙ্ক্ষিত মুদ্রণ প্রমাদ এবং এটি 'ক' অংশের উত্তর থেকে ভুলবশত যুক্ত হয়েছে।
অক্ষজোটের সমন্বিত শক্তির আগ্রাসী অপপ্রয়োগই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটনের অন্যতম প্রধান নিয়ামক ছিল— বক্তব্যটি যথার্থ।
জার্মানি, ইতালি ও জাপান অক্ষজোট গঠনের পর পারস্পরিক সহায়তায় বিশ্বজুড়ে আগ্রাসী তৎপরতা বৃদ্ধি করে। হিটলার ভার্সাই চুক্তির শর্তসমূহ লঙ্ঘন করে জার্মানির সামরিকীকরণ করেন এবং অস্ট্রিয়া ও চেকোস্লোভাকিয়ার একাংশ দখল করে নেন। ইতালি লীগ অব নেশনসের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আবিসিনিয়া (ইথিওপিয়া) দখল করে এবং জাপান মাঞ্চুরিয়াসহ চীনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে সামরিক আগ্রাসন চালায়। তাদের এই শক্তি প্রদর্শনের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স এবং পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র একজোট হয়ে 'মিত্রশক্তি' (Allied Powers) গঠন করে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, যা উদ্দীপকের সম ও বিপরীত আদর্শের মানুষদের পাল্টা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
সর্বশেষে ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর অক্ষশক্তির প্রধান সদস্য জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করলে ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। সুতরাং, আন্তর্জাতিক আইন ও বিশ্বশান্তি পদদলিত করে অক্ষশক্তির এই আগ্রাসী মনোভাব ও শক্তির অপব্যবহারই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান কারণ ছিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও