বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • বিশ্বসভ্যতা • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন

  1. ক)

    সিন্ধু সভ্যতার সমাজব্যবস্থা কীরূপ ছিল?

    (1)
  2. খ)

    "মরা মানুষের ঢিবি" বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের চিত্রটি প্রাচীন কোন সভ্যতার অবদানকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত অবদান ছাড়া সভ্যতাটি আরও অনেক অবদান দ্বারা সমৃদ্ধ ছিল- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    সিন্ধু সভ্যতার সমাজ ছিল নগরকেন্দ্রিক ও পেশাভিত্তিক, যেখানে শাসক-পুরোহিত, ব্যবসায়ী, কারিগর ও কৃষক শ্রেণির মানুষ বসবাস করত।

  2. খ)

    সিন্ধুসভ্যতার একটি বিখ্যাত নগর মহেঞ্জোদারো। সিন্ধি ভাষায় 'মহেঞ্জোদারো' শব্দের অর্থ 'মৃতের স্তূপ' বা 'মরা মানুষের ঢিবি'। খননের আগে স্থানটি একটি ঢিবির মতো ছিল, যার নিচে প্রাচীন একটি নগরী চাপা পড়ে ছিল। তাই এ নামে ডাকা হয়।

  3. গ)

    উদ্দীপকের চিত্রে পিরামিডের মতো স্থাপনা দেখা যাচ্ছে, যা প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার অবদানকে নির্দেশ করে।

    মিশরের ফারাওরা পুনর্জন্মে বিশ্বাস করত। মৃত ফারাওয়ের দেহ মমি করে রাখা ও ধনসম্পদ সংরক্ষণের জন্য বিশাল পাথরের পিরামিড তৈরি করা হতো। গিজার পিরামিড এর বিখ্যাত উদাহরণ। এগুলো মিশরীয়দের প্রকৌশল, জ্যামিতি ও শ্রমসংগঠনের উজ্জ্বল প্রমাণ।

  4. ঘ)

    পিরামিড ছাড়াও প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা আরও অনেক ক্ষেত্রে বিশ্বসভ্যতাকে সমৃদ্ধ করেছে।

    ১. লিখন পদ্ধতি: মিশরীয়রা হায়ারোগ্নিফিক লিপি উদ্ভাবন করেছিল এবং প্যাপিরাস গাছের কাণ্ড থেকে লেখার উপকরণ তৈরি করেছিল।
    ২. জ্ঞান-বিজ্ঞান: তারা সৌরবর্ষের ভিত্তিতে ৩৬৫ দিনে বছর গণনা করত। জ্যামিতি ও গণিতের জ্ঞান ব্যবহার করে নদীর বন্যার পর জমি পরিমাপ করত। চিকিৎসাবিজ্ঞানেও তাদের দক্ষতা ছিল।
    ৩. শিল্প ও ভাস্কর্য: স্ফিংস, মন্দির, দেয়ালচিত্র ও মমি তৈরির কৌশল তাদের শিল্পের উন্নতির পরিচায়ক।

    সুতরাং, পিরামিডের পাশাপাশি লিখন, বিজ্ঞান ও শিল্পে মিশরীয় সভ্যতা সমৃদ্ধ ছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন