বাংলা ২য় পত্র • উচ্চারণ ও বানান • Jagannath University • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ডি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা ২০২৪-২০২৫ (লিখিত)
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
উচ্চারণের রীতি অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনির চারটি শ্রেণিবিভাগ বর্ণনা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
(৪) উচ্চারণ-রীতি বা উচ্চারণ-প্রকৃতি অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনির প্রধান শ্রেণিবিভাগ:
১. স্পর্শ ধ্বনি: উচ্চারণের সময় বাগ্যন্ত্রের দুটি অংশ পরস্পর স্পর্শ করে বাতাস বাধা পেয়ে হঠাৎ মুক্ত হয়। ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি বর্ণ (ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ, ত-বর্গ, প-বর্গ)। উদাহরণ: ক, চ, ট, ত, প।
২. নাসিক্য ধ্বনি: উচ্চারণের সময় বায়ু নাক দিয়ে বের হয়। বর্ণ: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম। উদাহরণ: ঙ (বাংলা), ন (নদী), ম (মা)।
৩. উষ্ম বা শিস ধ্বনি: উচ্চারণের সময় মুখবিবর সংকীর্ণ হয়ে শিসের মতো শব্দ তৈরি হয়। বর্ণ: শ, ষ, স, হ। উদাহরণ: শীত, সকাল, হাত।
৪. পার্শ্বিক ও কম্পিত ধ্বনি: জিহ্বার পাশ দিয়ে বাতাস বেরোলে পার্শ্বিক ধ্বনি (ল), আর জিহ্বা কেঁপে উঠলে কম্পিত ধ্বনি (র)। উদাহরণ: লাল, রাত।
অন্যান্য: জিহ্বার অগ্রভাগের আঘাতে উচ্চারিত ধ্বনিকে তাড়নজাত (ড়, ঢ়) বলা হয়। স্বরতন্ত্রীর কম্পন অনুসারে ঘোষ (গ, জ, দ) ও অঘোষ (ক, চ, ত) এবং শ্বাসের পরিমাণ অনুসারে অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনিও ভাগ করা হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও