বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (খ্রিস্টপূর্বাব্দ ৩২৬-১২০৪ খ্রিস্টাব্দ) • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন

  1. ক)

    সোমপুর বিহার কোথায় অবস্থিত?

    (1)
  2. খ)

    প্রাচীন বাংলায় চন্দ্র বংশের শাসনের পতন ঘটে কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থান প্রাচীন বাংলার কোন শাসকের সাথে সজ্ঞাতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত শাসকের মৃত্যুর পর বাংলার ইতিহাসে এক অন্ধকার যুগের সূচনা হয়- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    সোমপুর বিহার বর্তমান নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত।

  2. খ)

    চন্দ্র বংশ দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় প্রায় দেড়শ বছর (দশম থেকে এগারো শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত) শাসন করে। শ্রীচন্দ্র, কল্যাণচন্দ্র ও লডহচন্দ্র এ বংশের গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখেন। কিন্তু লডহচন্দ্রের পুত্র শেষ চন্দ্র রাজা গোবিন্দচন্দ্রের সময় চোলরাজ রাজেন্দ্র চোল ও কলচুরিরাজ কর্ণ বঙ্গ আক্রমণ করেন। এই দুই বৈদেশিক আক্রমণের ফলে চন্দ্র শাসনের অবসান ঘটে।

  3. গ)

    উদ্দীপকের চিত্রে '?' চিহ্নিত স্থানে গৌড়, কর্ণসুবর্ণ, মহাসামন্ত ও সার্বভৌম শাসক শব্দগুলো রয়েছে। এগুলো প্রাচীন বাংলার শাসক শশাঙ্ককে নির্দেশ করে।

    শশাঙ্ক প্রথমে গুপ্ত বংশের মহাসামন্ত ছিলেন। পরে তিনি গৌড় অঞ্চলে স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং কর্ণসুবর্ণকে রাজধানী করে সার্বভৌম শাসকের মর্যাদা লাভ করেন। তাই '?' চিহ্নিত স্থান শশাঙ্কের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

  4. ঘ)

    শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় কেন্দ্রীয় শক্তি ভেঙে পড়ে। বাংলার ইতিহাসে এক অন্ধকার যুগের সূচনা হয়।

    ১. তাঁর কোনো যোগ্য উত্তরাধিকারী না থাকায় সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে এবং বাইরের শক্তিগুলো, যেমন কামরূপের ভাস্করবর্মন ও কনৌজের হর্ষবর্ধন, বাংলায় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পায়।
    ২. কেন্দ্রীয় শাসনের অভাবে সামন্তরা নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত হয় এবং নিজ নিজ এলাকায় স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে।
    ৩. এর ফলে প্রায় একশ বছর ধরে মাৎস্যন্যায় নামে পরিচিত অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা চলে।

    সুতরাং, শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় অন্ধকার যুগ নেমে আসে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন