পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয় • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব 'ক' ছিলেন অতি দরিদ্র। কিন্তু হঠাৎ করে তিনি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। খাদ্যের স্বাদ বা ফ্লেভার বাড়াতে এবং আকর্ষণীয় করতে যেকোনো প্রকার অবৈধ পন্থা অবলম্বনে তিনি অদ্বিতীয়। ভোগবাদী প্রবণতা, নৈতিক শিক্ষার অভাব ও মূল্যবোধের অবক্ষয় তাকে এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।
- ক)(1)
HIV এর পূর্ণরূপ কী?
- খ)(2)
ইভটিজিং বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত অনৈতিক কর্মকান্ডের কারন গুলো চিহ্নিত কর।
- ঘ)(4)
উক্ত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তুমি কী কী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
HIV-এর পূর্ণরূপ হলো Human Immunodeficiency Virus।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইভটিজিং বলতে কোনো নারী বা কিশোরীকে রাস্তাঘাটে বা জনসমক্ষে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কটূক্তি করা, উত্ত্যক্ত করা, অশোভন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করা কিংবা যৌন হয়রানি করাকে বোঝায়। এটি একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি ও ফৌজদারি অপরাধ, যা নারীর মানসিক নিরাপত্তা ও ব্যক্তিস্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে জনাব 'ক' খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাতারাতি ধনী হয়েছেন। তার এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান কারণগুলো হলো:
১. অতিরিক্ত লোভ ও ভোগবাদী মানসিকতা: অতি দ্রুত বিত্তশালী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও লাগামহীন ভোগবিলাসের প্রবণতা মানুষকে বিবেকহীন ও অনৈতিক কাজে লিপ্ত করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধের অভাব: সঠিক পারিবারিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষার অভাবে মানুষ ভালো-মন্দের পার্থক্য ভুলে অন্যায়ের পথ বেছে নেয়।
৩. আইন প্রয়োগে শিথিলতা ও শাস্তির অভাব: অপরাধীদের উপযুক্ত ও কঠোর শাস্তি না হওয়া বা আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ এমন অনৈতিক কাজের পুনরাবৃত্তি ঘটায়।
৪. সামাজিক সচেতনতার অভাব: সমাজে ভেজাল কারবারিদের সামাজিক বয়কট না করা এবং প্রতিবাদের সংস্কৃতি না থাকাও এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত খাদ্যে ভেজালের মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিম্নলিখিত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণের সুপারিশ করা যায়:
১. কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন: নিরাপদ খাদ্য আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করে ভেজালকারীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি (যথা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা বড় অঙ্কের জরিমানা) দিতে হবে।
২. নিয়মিত মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা: বাজার, হোটেল ও কারখানায় নিয়মিত খাদ্য পরিদর্শকদের নজরদারি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক অভিযান চালাতে হবে।
৩. আধুনিক টেস্টিং ল্যাব প্রতিষ্ঠা: খাদ্যের মান যাচাইয়ের জন্য প্রতিটি জেলায় আধুনিক রাসায়নিক পরীক্ষাগার গড়ে তুলতে হবে যাতে দ্রুত ভেজাল শনাক্ত করা যায়।
৪. গণসচেতনতা বৃদ্ধি: ভেজাল খাদ্যের কুফল সম্পর্কে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে সাধারণ জনগণ ও ভোক্তাদের সচেতন ও সংগঠিত করতে হবে।
৫. সামাজিক প্রতিরোধ ও বয়কট: অনৈতিক ও অসৎ ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো সম্মিলিতভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে খাদ্য ভেজালের মতো মারাত্মক অপরাধ কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও