সমাজকর্ম ২য় পত্র • বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা ও সমাজকর্ম • Combined Board • ঢাকা, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮

সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন

বাংলাদেশে এখন আর ঋতু বৈচিত্র্যের স্বাদ পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করা যায় না। কখনো অতিবৃষ্টি, কখনো অনাবৃষ্টি জনজীবনে দুর্ভোগ ডেকে আনছে। ফি বছর পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হচ্ছে অনেক অঞ্চল। সর্বোপরি কল-কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া নির্মল আকাশকে করছে কলুষিত। নদী ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যাচ্ছে অনেক আবাদী জমি।

  1. ক)

    CFC এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    জীববৈচিত্র্য বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার কারণ পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত উক্ত সমস্যা মোকাবিলায় একজন সমাজকর্মীর ভূমিকা কী হতে পারে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    CFC এর পূর্ণরূপ হলো Chlorofluorocarbon (ক্লোরোফ্লোরোকার্বন)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জীববৈচিত্র্য বলতে পৃথিবীর জল, স্থল ও অন্তরীক্ষে বসবাসকারী উদ্ভিদ, প্রাণী এবং অণুজীবসহ সকল প্রকার জীবের পারস্পরিক ভিন্নতা, বৈচিত্র্য এবং তাদের মধ্যকার বাস্তুতান্ত্রিক সম্পর্ককে বোঝায়। এটি কোনো নির্দিষ্ট বাস্তুতন্ত্র বা সমগ্র পৃথিবীতে বিদ্যমান জীবনের সামগ্রিক সমাহার।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ঋতু বৈচিত্র্যের অবলুপ্তি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, বায়ুদূষণ এবং নদীভাঙনের মতো পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে।

    পাঠ্যপুস্তকের আলোকে এ ধরনের ভারসাম্যহীনতার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়ন। অপরিকল্পিতভাবে কল-কারখানা গড়ে তোলায় সেখান থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি করছে। এছাড়া নির্বিচারে বনভূমি ও গাছপালা ধ্বংস করা, নদী দখল ও ভরাট এবং জীবাশ্ম জ্বালানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট মোকাবিলায় একজন সমাজকর্মী অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারেন।

    প্রথমত, তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং প্রকৃতি রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা ও দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন সৃষ্টি করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম যেমন বৃক্ষরোপণ অভিযান, বনায়ন কর্মসূচি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগণকে উদ্বুদ্ধ ও দলবদ্ধ করতে পারেন। তৃতীয়ত, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও নদীভাঙনে বাস্তুহারা মানুষের পুনর্বাসন ও ত্রাণ বিতরণে সহায়তা এবং নীতি নির্ধারণে অ্যাডভোকেসি (আইন ও অধিকার পক্ষে প্রচার) ভূমিকা পালন করতে পারেন। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিত সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কাজের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় সাধনে তিনি সক্ষম।

    অতএব, উদ্বুদ্ধকরণ, সচেতনতা বৃদ্ধি, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং সার্বিক পুনর্বাসনের মাধ্যমে সমাজকর্মী পরিবেশগত সমস্যা মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারেন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন