অর্থনীতি ২য় পত্র • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

শরীফ সাহেব দিনাজপুরের লিচু, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ও বরিশালের আমড়া কুমিল্লার স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। তার বন্ধু কমল সাহেব হিমায়িত চিংড়ি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্রি করেন। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতি, মুদ্রাব্যবস্থা ইত্যাদি কারণে দুজনের বাণিজ্যে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।

  1. ক)

    অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    শিক্ষা কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নকে প্রভাবিত করে?

    (2)
  3. গ)

    কমল সাহেব যে বাণিজ্যের সাথে জড়িত তার গুরুত্ব লেখো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত উভয় বন্ধুর বাণিজ্যের পার্থক্য লেখো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব পণ্য অতীতে নিয়মিত বা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিদেশে রপ্তানি হতো না, কিন্তু বর্তমানে নতুন পণ্য হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা হচ্ছে, সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য বলে (যেমন: তৈরি পোশাক, হস্তশিল্প, হিমায়িত খাদ্য ইত্যাদি)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শিক্ষা মানুষের জ্ঞান, দক্ষতা ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে অদক্ষ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করে। শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত উৎপাদন কৌশল সম্পর্কে জানতে পারে, যা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। তাই শিক্ষা মানবসম্পদ উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে কমল সাহেব হিমায়িত চিংড়ি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্রি করেন, যা আন্তর্জাতিক বা বৈদেশিক বাণিজ্যের অন্তর্ভুক্ত। অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বাণিজ্যের গুরুত্ব অপরিসীম:
    ১. বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন: হিমায়িত চিংড়ি ইত্যাদি পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশ বিপুল পরিমাণ মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করে।
    ২. সম্পদের কাম্য ব্যবহার: উদ্বৃত্ত সম্পদ বিদেশে রপ্তানি করে দেশের অব্যবহৃত প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
    ৩. কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: রপ্তানিমুখী শিল্প গড়ে ওঠার ফলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং জাতীয় আয় ও প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত হয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে শরীফ সাহেব দেশের অভ্যন্তরে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করেন, যা 'অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য' এবং কমল সাহেব বিদেশে পণ্য রপ্তানি করেন, যা 'আন্তর্জাতিক বা বৈদেশিক বাণিজ্য'। এদের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো নিম্নরূপ:
    ১. ভৌগোলিক সীমা: শরীফ সাহেবের বাণিজ্য দেশের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানার (দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বরিশাল থেকে কুমিল্লা) মধ্যে সীমাবদ্ধ। পক্ষান্তরে, কমল সাহেবের বাণিজ্য দেশের ভৌগোলিক সীমা ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে পরিচালিত হয়।
    ২. মুদ্রাব্যবস্থা: শরীফ সাহেবের ক্ষেত্রে একই জাতীয় মুদ্রা (টাকা) ব্যবহৃত হয়। কিন্তু কমল সাহেবের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন দেশের মুদ্রা বা আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা (যেমন: ডলার, ইউরো) ব্যবহার করতে হয়।
    ৩. নীতি ও বিধিবিধান: শরীফ সাহেবের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দেশের নিজস্ব বাণিজ্যিক নীতি ও আইন প্রযোজ্য। কিন্তু কমল সাহেবের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক নীতি, কোটা, আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি মেনে চলতে হয়।
    ৪. উৎপাদনের উপাদানের গতিশীলতা: অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে শ্রম ও মূলধনের গতিশীলতা বেশি হলেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে উপাদানগুলোর চলাচল তুলনামূলকভাবে কম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন