সাধারণ জ্ঞান • Literature, arts and culture • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০১৮
সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন
8.1.
তোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপনের একটি দিনলিপি প্রস্তুত করো।
8.2.
‘সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী একটি ভাষণ তৈরি করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
৮.১. কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপনের একটি দিনলিপি:
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
স্থান: ঢাকা
সময়: রাত ৯:৩০ মিনিট
আজকের দিনটি ছিল আমাদের জাতীয় জীবনে এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবের দিন—মহান বিজয় দিবস। প্রতিবছরের মতো এবারও আমাদের কলেজ প্রাঙ্গণে দিনটি গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়েছে।
সকাল ৭:০০ টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর অধ্যক্ষ মহোদয়ের নেতৃত্বে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে এক বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি বের করা হয়। র্যালি শেষে আমরা কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।
সকাল ৯:৩০ টায় কলেজ মিলনায়তনে শুরু হয় আলোচনা সভা। সভায় আমন্ত্রিত প্রধান অতিথি এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদগণ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ এবং বর্তমান তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব বিষয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য দেন। অধ্যক্ষ মহোদয়ের সমাপনী বক্তব্যের পর এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও নাটক পরিবেশিত হয়। দিনব্যাপী আয়োজনে উপস্থিত থেকে গভীর দেশপ্রেমে উদ্বেলিত হয়েছি। সত্যিই আজকের দিনটি আমার স্মৃতিতে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।
অথবা,
৮.২. ‘সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী একটি ভাষণ:
শ্রদ্ধেয় সভাপতি, উপস্থিত সুধীবৃন্দ এবং আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা—
সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সালাম। আজকের এই তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে 'সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য' বিষয়ে কিছু বলার সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।
বাংলাদেশ চিরকালই সম্প্রীতি ও মিলনের দেশ। আবহমানকাল ধরে এ ভূখণ্ডে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ নানা ধর্ম-বর্ণের মানুষ পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বসবাস করে আসছে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রক্ত দিয়েছেন একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে।
ধর্ম যার যার, কিন্তু উৎসব এবং রাষ্ট্র সবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছাড়া কোনো জাতির পক্ষে সামগ্রিক উন্নয়ন সাধন করা অসম্ভব। বিভেদ ও বিদ্বেষ কখনো শান্তির পথ হতে পারে না; বরং তা সমাজের অগ্রগতিকে রুদ্ধ করে দেয়। বর্তমান সময়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা উপায়ে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালায়। আমাদের সবাইকে এ বিষয়ে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আসুন, আমরা মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়াই এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক 'সোনার বাংলা' গড়ে তুলি। সবাইকে ধন্যবাদ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও