পৌরনীতি ও নাগরিকতা • বাংলাদেশের স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৫

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

স্থানীয় সরকারনির্বাচন পদ্ধতিসদস্য সংখ্যাকাজ
Tপ্রত্যক্ষ১৩প্রত্যন্ত এলাকার জনগণের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন।
Qপরোক্ষ২৫বিশেষ পশ্চাদপদ গোষ্ঠীর উন্নয়ন।
  1. ক)

    স্থানীয় সরকার কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    সিটি কর্পোরেশন কীভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    'Q' দ্বারা কোন স্থানীয় সরকারকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    গ্রামীণ জনগণের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়নে '' প্রতিষ্ঠানটির বিকল্প আছে কি? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    স্থানীয় সরকার হলো নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে গঠিত সেই প্রতিষ্ঠান, যা ওই এলাকার প্রশাসন ও উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করে।

  2. খ)

    সিটি কর্পোরেশন নগরের জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বহুমুখী কাজ করে।

    এটি নিয়মিত আবর্জনা অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করে, ড্রেনেজ ও পয়ঃনিষ্কাশন তদারক করে এবং মশা ও রোগজীবাণু নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেয়। এছাড়া নিরাপদ পানি সরবরাহ, টিকাদান কর্মসূচি, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন এবং খাদ্য ও বাজারের স্বাস্থ্যবিধি তদারকির মাধ্যমে নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

  3. গ)

    উদ্দীপকের 'Q' দ্বারা পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদকে নির্দেশ করা হয়েছে।

    ১৯৮৯ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়। তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য রয়েছে একটি আঞ্চলিক পরিষদ। এতে ১ জন চেয়ারম্যান, ১২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য, ৬ জন বাঙালি সদস্য, ৩ জন মহিলা সদস্য এবং ৩ জন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিলিয়ে মোট ২৫ জন সদস্য থাকেন। জেলা পরিষদ সদস্যরা পরোক্ষভাবে চেয়ারম্যান ও অন্য সদস্যদের নির্বাচিত করেন। পরিষদ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর রীতিনীতি ও সামাজিক বিচার তত্ত্বাবধান, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমন্বয় ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো কাজ করে।

    উদ্দীপকের 'Q'-এর সদস্য সংখ্যা ২৫, নির্বাচন পরোক্ষ এবং কাজ বিশেষ পশ্চাদপদ গোষ্ঠীর উন্নয়ন। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য আঞ্চলিক পরিষদের সঙ্গে মিলে যায়। তাই 'Q' হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকের 'T' প্রতিষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত, সদস্য ১৩ জন এবং গ্রামীণ এলাকার জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কাজ করে। এ বৈশিষ্ট্যগুলো ইউনিয়ন পরিষদকে নির্দেশ করে। গ্রামীণ জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এর কোনো বিকল্প নেই বলে আমি মনে করি।

    ১. জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রতিষ্ঠান: এটি গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সরাসরি জানতে ও সমাধান করতে পারে।
    ২. উন্নয়নমূলক কাজ: রাস্তাঘাট, কালভার্ট, সুপেয় পানি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করে এবং কৃষি ও মৎস্য উন্নয়নে সহায়তা করে।
    ৩. সামাজিক সেবা: জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিকত্বের সনদ প্রদান, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি এবং দুস্থদের ভাতা বিতরণ করে।
    ৪. জনগণের অংশগ্রহণ: জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় এটি তাদের কাছে দায়বদ্ধ।

    সুতরাং, গ্রামীণ জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যকর বিকল্প নেই।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন