যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
পরতম জাতি কী?
- খ)(2)
ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
ছক-১ এ 'A' কোন ধরনের বিধেয়ককে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
- ঘ)(4)
ছক-২ বিধেয়কের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে জাতির ওপরে আর কোনো উচ্চতর জাতি কল্পনা করা যায় না বা যে জাতি কেবল জাতি হিসেবেই থাকে কিন্তু কোনো উপজাতি হতে পারে না, তাকে পরতম জাতি (Summum Genus) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে গুণ কোনো বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে সর্বদা উপস্থিত থাকে এবং কোনো অবস্থাতেই বা কোনো সময়ই তাকে ঐ ব্যক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না, তাকে ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে। যেমন— কোনো ব্যক্তির জন্মস্থান বা জন্মতারিখ। একজন ব্যক্তির জন্মতারিখ বা জন্মস্থান তার মূল স্বভাব বা জাত্যর্থ না হলেও এটি কখনই ঐ ব্যক্তি থেকে আলাদা করা সম্ভব নয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ছক-১ এ 'A' বিধেয়ক হিসেবে 'লক্ষণ' বা 'বিভেদক লক্ষণ' (Differentia)-কে নির্দেশ করে।
যে গুণ বা গুণাবলি কোনো শ্রেণিকে তার সমজাতীয় অন্যান্য শ্রেণি বা উপজাতি থেকে পৃথক করে, তাকে লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ বলে।
উদ্দীপকের ছক-১ এ দেখা যাচ্ছে, 'মানুষ' পদের অধীনে দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে 'A' দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে 'বুদ্ধি' (বুদ্ধিবৃত্তি)। মানুষ জীবজাতির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতি। জীবজাতির মূল বৈশিষ্ট্য হলো 'জীববৃত্তি'। কিন্তু মানুষ একমাত্র প্রাণী যার মধ্যে জীববৃত্তির পাশাপাশি 'বুদ্ধিবৃত্তি' বিদ্যমান। এই বুদ্ধিবৃত্তির কারণেই মানুষ অন্যান্য সকল প্রাণী (যেমন: গরু, ঘোড়া, বাঘ ইত্যাদি) থেকে স্বতন্ত্র ও পৃথক। সুতরাং, বুদ্ধিবৃত্তি হলো মানুষের বিভেদক লক্ষণ বা লক্ষণ। অতএব, ছক-১ এর 'A' হলো লক্ষণ বিধেয়ক।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ছক-২ এ বিধেয়কের 'জাতি' (Genus) এবং 'উপজাতি' (Species) সম্পর্কিত রূপটি প্রকাশ পেয়েছে।
যুক্তিবিদ্যায় বিধেয়কের শ্রেণিবিভাগে জাতি ও উপজাতি পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত দুটি প্রত্যয়। যখন দুটি শ্রেণিগত পদের মধ্যে এমন সম্পর্ক থাকে যে একটি পদ অপর পদটির তুলনায় অধিক ব্যাপক এবং ব্যাপকতর পদটি সংকীর্ণতর পদটিকে নিজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে, তখন ব্যাপকতর পদটিকে 'জাতি' এবং সংকীর্ণতর পদটিকে 'উপজাতি' বলা হয়।
ছক-২ এ দেখা যায়, উপরে রয়েছে 'জীব' এবং তার অধীনে শাখা হিসেবে রয়েছে 'মানুষ', 'বাঘ' এবং 'বিড়াল'। এখানে:
১. 'জীব' পদটি ব্যাপকতর ধারণা, যা মানুষ, বাঘ, বিড়াল ইত্যাদির সমষ্টিগত রূপ। ফলে 'মানুষ', 'বাঘ' ও 'বিড়াল'—এই পদগুলোর সাপেক্ষে 'জীব' পদটি হলো 'জাতি'।
২. অপরদিকে, 'মানুষ', 'বাঘ' ও 'বিড়াল' হলো 'জীব' জাতির অন্তর্ভুক্ত সংকীর্ণতর ব্যক্ত্যর্থের অধিকারী শ্রেণি। তাই 'জীব' পদের সাপেক্ষে এরা প্রত্যেকে এক একটি 'উপজাতি'।অতএব, ছক-২ এ বিধেয়কের দৃষ্টিতে একটি মূল 'জাতি' (জীব) এবং তার অধীনে থাকা বিভিন্ন সমমর্যাদাসম্পন্ন 'উপজাতি' (মানুষ, বাঘ, বিড়াল)-এর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে নির্দেশ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও