ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
প্রেষণা কী?
- খ)(2)
"প্রশাসন ব্যবস্থাপনার মস্তিষ্কস্বরূপ" ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
চিহ্নিত উদ্দীপকে 'ক' স্থানে ব্যবস্থাপনার কোন কাজটি করতে হয়? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
'খ' স্থানের কাজটির অনুপস্থিতি প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে তুমি কি একমত? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কাজের প্রতি উৎসাহিত, অনুপ্রাণিত ও স্বেচ্ছা-প্রণোদিত করার প্রক্রিয়াকে প্রেষণা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রশাসন প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য, নীতি ও সামগ্রিক পরিকল্পনা নির্ধারণ করে বলে একে ব্যবস্থাপনার মস্তিষ্কস্বরূপ বলা হয়।
মানবদেহে মস্তিষ্ক যেভাবে চিন্তা-ভাবনা করে সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে পরিচালনা করার নির্দেশনা দেয়, তেমনি একটি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসন সার্বিক লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত নীতিমালা প্রণয়ন করে। ব্যবস্থাপনা সেই লক্ষ্য ও নীতিকে বাস্তবে রূপদান করার জন্য কাজ করে। তাই নীতি নির্ধারণী সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হিসেবে প্রশাসনকে ব্যবস্থাপনার মস্তিষ্ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'ক' স্থানে ব্যবস্থাপনার 'সংগঠিতকরণ' বা 'সংগঠন' (Organizing) কাজটি করতে হয়।
পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় মানবীয় ও বস্তুগত উপায়-উপকরণ একত্রীকরণ, কাজ বণ্টন এবং দায়িত্ব ও কর্তৃত্বের সম্পর্ক নির্ধারণ করার প্রক্রিয়াকে সংগঠন বলে।
উদ্দীপকের চক্রটিতে ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিক কার্যাবলি প্রদর্শিত হয়েছে। সেখানে প্রথম ধাপ 'পরিকল্পনা' এবং এর পরবর্তী ধাপ হিসেবে 'ক' চিহ্নিত স্থান রয়েছে, যার পরে রয়েছে 'কর্মীসংস্থান'। ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার নিয়মানুযায়ী পরিকল্পনার ঠিক পরেই সংগঠন কাজটির অবস্থান। সংগঠনের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যাবলি ভাগ করে উপযুক্ত কাঠামোর রূপ দেওয়া হয়, যার ভিত্তিতে পরবর্তীতে কর্মীসংস্থান করা হয়ে থাকে। সুতরাং 'ক' চিহ্নিত কাজটি হলো সংগঠন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, 'খ' স্থানের কাজটির (সমন্বয়সাধন) অনুপস্থিতি প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে—আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।
ব্যবস্থাপনা চক্রের ক্রম অনুসারে প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যবর্তী 'খ' স্থানে যে কাজটি সম্পাদিত হয়, তা হলো 'সমন্বয়সাধন' (Coordinating)। প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি, দল ও বিভাগের কার্যাবলিকে একই সূত্রে বা ধারায় গ্রথিত করার প্রক্রিয়াকে সমন্বয়সাধন বলে।
একটি প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন, বিপণন, অর্থ, মানবসম্পদ ইত্যাদি বিভিন্ন বিভাগ থাকে এবং বহু কর্মী নিয়োজিত থাকে। সমন্বয়সাধন না থাকলে প্রতিটি বিভাগ ও কর্মী নিজের মতো করে কাজ পরিচালনা করে। ফলে এক বিভাগের কাজের সাথে অন্য বিভাগের কাজের কোনো মিল থাকে না, যার দরুন সম্পদের অপচয়, ভুল বোঝাবুঝি, কাজে বিলম্ব এবং দ্বৈততা দেখা দেয়। উদাহরণস্বরূপ, বিপণন বিভাগ যদি চাহিদার পূর্বাভাস অনুযায়ী উৎপাদন বিভাগকে তথ্য না দেয়, তবে অতিরিক্ত উৎপাদন বা ঘাটতির সৃষ্টি হবে।
সমন্বয়সাধনের অনুপস্থিতিতে কর্মীদের মধ্যে দলগত চেতনার অভাব ঘটে এবং সামগ্রিক লক্ষ্য ব্যাহত হয়ে প্রতিষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা ও অকার্যকারিতার সৃষ্টি হয়। তাই প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিচালনা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সমন্বয় অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও