পরিসংখ্যান ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেট বোর্ড ২০২৩
পরিসংখ্যান ১ম পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পারিসংখ্যিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে। একজন গবেষক বললেন যে, বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের গুণগতমান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পেলেই প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
- ক)(1)
বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান কাকে বলে?
- খ)(2)
কৃষি বিষয়ক তথ্যের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো একমাত্র প্রতিষ্ঠান নয়- ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দাও।
- ঘ)(4)
গবেষকের দেওয়া বক্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক, জনমিতিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক সংগৃহীত, প্রক্রিয়াজাত এবং সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য গ্রন্থিত বা প্রকাশিত পরিসংখ্যানগত তথ্যকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কৃষি বিষয়ক তথ্যের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) প্রধান দায়িত্ব পালন করলেও এটি একমাত্র প্রতিষ্ঠান নয়।
কারণ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE), বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI), বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA), মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC) প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে ফসলের আবাদি জমি, ফলন, সারের ব্যবহার ও অন্যান্য কৃষি বিষয়ক গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। ফলে BBS-এর পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানও কৃষি তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে কাজ করে। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান (যেমন: BBS, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি)। এদের প্রধান কর্মকাণ্ডসমূহ নিম্নরূপ:
১. তথ্য সংগ্রহ: মাঠপর্যায় থেকে শুমারি (আদমশুমারি, কৃষিশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি) ও বিভিন্ন নিয়মিত ও বিশেষ জরিপের মাধ্যমে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা।
২. প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংকলন: সংগৃহীত অশোধিত তথ্য যাচাই-বাছাই, সম্পাদনা, কোডিং এবং কম্পিউটারের সাহায্যে প্রক্রিয়াকরণ ও সারণিবদ্ধকরণ করা।
৩. তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন তৈরি: পরিসংখ্যানিক পরিমাপক ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে তথ্যের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা এবং বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রণয়ন করা।
৪. প্রকাশনা ও সরবরাহ: মাসিক, ত্রৈমাসিক এবং বার্ষিক বুলেটিন, স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইয়ারবুক ইত্যাদি আকারে নীতি-নির্ধারক, পরিকল্পনাবিদ ও গবেষকদের জন্য তথ্য প্রকাশ ও উন্মুক্ত করা। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গবেষকের মন্তব্যটি সম্পূর্ণ যথার্থ ও বাস্তবসম্মত।
একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাজেট প্রণয়ন এবং কার্যকর নীতি নির্ধারণে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে সেই পরিসংখ্যান যদি গুণগত মানসম্পন্ন, বিশুদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য না হয়, তবে তা ভুল দিকনির্দেশনা প্রদান করতে পারে।১. নীতি নির্ধারণের সঠিকতা: বিশুদ্ধ তথ্য থাকলে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প ও সম্পদের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত হয়।
২. গবেষক ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা: তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পেলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং গবেষকগণ পরিসংখ্যান ব্যবহারের ওপর ভরসা পান।
৩. আধুনিকায়ন: তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি ও দক্ষ জনবলের ঘাটতি থাকলে তথ্যে ত্রুটি দেখা দেয়। তাই আধুনিক প্রযুক্তি ও নিরপেক্ষ জরিপের মাধ্যমে গুণগতমান রক্ষা আবশ্যক।সুতরাং, প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা ও উপযোগিতা মূলত নির্ভর করে তথ্যের গুণগতমান, নিরপেক্ষতা এবং যথার্থতার ওপর; যা নিশ্চিত হলে পরিসংখ্যানের মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। তাই গবেষকের বক্তব্যটি অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও