‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি • আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ • আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

হাসান একজন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। সে সুনাগরিক হতে চায়। সে নাগরিকতা, রাষ্ট্র, সরকার, ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন সম্পর্কে একটি বিষয় পাঠের মাধ্যমে জানতে পারে।

  1. ক)

    'পৌরনীতি' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?

    (1)
  2. খ)

    সুশাসন বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উক্ত বিষয় পাঠের মাধ্যমে কী কী সুফল পাওয়া যায়?

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়াবলির জ্ঞান কীভাবে সুনাগরিক হতে সাহায্য করে? বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'পৌরনীতি' শব্দটি ইংরেজি 'Civics' শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ, যা লাতিন শব্দ 'Civis' (নাগরিক) এবং 'Civitas' (নগর-রাষ্ট্র) থেকে এসেছে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুশাসন (Good Governance) বলতে এমন এক ধরনের শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, জনগণের অংশগ্রহণ, ন্যায়পরায়ণতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা নিশ্চিত থাকে। বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসন হলো উন্নয়নের জন্য একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদের ব্যবস্থাপনায় ক্ষমতার প্রয়োগের পদ্ধতি।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে হাসান যে বিষয়টি পাঠ করছে তা হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন'। উক্ত বিষয় পাঠের মাধ্যমে নিম্নোক্ত সুফলগুলো পাওয়া যায়:
    ১. নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হয়।
    ২. রাষ্ট্র, সরকার, সংবিধান ও বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়।
    ৩. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জাগ্রত হয় এবং সহনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
    ৪. ই-গভর্নেন্স, মানবাধিকার, বিশ্বায়ন ও আন্তর্জাতিক সংস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা একজন ব্যক্তিকে সচেতন বিশ্বনাগরিকে রূপান্তর করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'পৌরনীতি ও সুশাসন' বিষয়ের জ্ঞান একজন ব্যক্তিকে সুনাগরিক হতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

    একজন সুনাগরিকের প্রধান তিনটি গুণ থাকে—বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক-বিচার। পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের মাধ্যমে নাগরিক তার বুদ্ধিদীপ্ত বিকাশ ঘটাতে পারে। এটি রাষ্ট্রের ইতিহাস, সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান প্রদান করে।

    এই বিষয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য (যেমন—নিয়মিত কর প্রদান, সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোটদান, রাষ্ট্রের আইন মান্য করা) সম্পর্কে স্পষ্ট সচেতনতা অর্জন করে। তাছাড়া এটি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় জনগণের অংশীদারিত্ব বাড়ায়। ফলে নাগরিক ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সামাজিক ও জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে শেখে, যা সুনাগরিক হওয়ার মূল শর্ত। সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়াবলির জ্ঞান মানুষকে প্রকৃত সুনাগরিক হতে সাহায্য করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন