জীববিজ্ঞান ২য় পত্র • জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯
জীববিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর-
- ক)(1)
জীব সম্প্রদায় কী?
- খ)(2)
মরুজ উদ্ভিদ কিভাবে প্রকৃতিতে টিকে থাকে?
- গ)(3)
উদ্দীপকের A থেকে B সৃষ্টির প্রক্রিয়া বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের চিত্র A থেকে চিত্র B তৈরির প্রক্রিয়াটি প্রোটিন উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ-বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বা বাসস্থানে নির্দিষ্ট সময়ে বসবাসকারী এবং পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল সকল প্রজাতির জীবগোষ্ঠীকে একত্রে জীব সম্প্রদায় (Biotic community) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মরুজ উদ্ভিদ (জেরোফাইট) তাদের বিশেষ গঠনগত ও শারীরবৃত্তীয় অভিযোজনের মাধ্যমে শুষ্ক ও চরম প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকে। যেমন:
১. মূলতন্ত্র অত্যন্ত সুগঠিত ও গভীরগামী হয়, যার ফলে মাটির গভীর থেকে পানি শোষণ করতে পারে।
২. প্রস্বেদন হ্রাস করার জন্য এদের পাতা ক্ষুদ্রাকার, পুরু কিউটিকলযুক্ত অথবা কাটায় রূপান্তরিত হয়।
৩. এদের কান্ড ও পাতা রসালো (মাংসল) হয়ে প্রচুর পানি সঞ্চয় করে রাখতে পারে এবং স্টোমাটাগুলো ভেতরে নিমজ্জিত (Sunken) থাকে। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র A হলো DNA এবং চিত্র B হলো RNA। DNA থেকে RNA সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি হলো ট্রান্সক্রিপশন (Transcription)। প্রক্রিয়াটি নিচে বর্ণনা করা হলো:
১. সূচনা (Initiation): আরএনএ পলিমারেজ (RNA Polymerase) এনজাইম ডিএনএ-র প্রোমোটর অঞ্চলে যুক্ত হলে ডিএনএ অণুর হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙে দুটি সূত্র পৃথক হতে শুরু করে। ডিএনএ-র ৩' থেকে ৫' মুখী সূত্রটি ছাঁচ বা টেমপ্লেট হিসেবে কাজ করে।
২. দীর্ঘকরণ (Elongation): আরএনএ পলিমারেজ টেমপ্লেট সূত্রের নিউক্লিওটাইড সিকোয়েন্স অনুযায়ী পরিপূরক রাইবোনিউক্লিওটাইড (A এর বিপরীতে U, T এর বিপরীতে A, C এর বিপরীতে G এবং G এর বিপরীতে C) যুক্ত করে ৫' থেকে ৩' অভিমুখে একটি পরিপূরক RNA চেইন দীর্ঘ করতে থাকে।
৩. সমাপ্তি (Termination): আরএনএ পলিমারেজ যখন ডিএনএ-র সমাপ্তি সংকেত (Terminator sequence) অঞ্চলে পৌঁছায়, তখন নতুন সংশ্লেষিত RNA সূত্রকটি ডিএনএ ছাঁচ থেকে মুক্ত হয়ে বের হয়ে আসে এবং আরএনএ পলিমারেজও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর DNA সূত্র দুটি পুনরায় প্যাঁচ খেয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র A (DNA) থেকে চিত্র B (RNA, বিশেষ করে mRNA) তৈরির প্রক্রিয়াটি হলো ট্রান্সক্রিপশন। প্রোটিন উৎপাদনের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব অপরিসীম, যা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. বংশগত তথ্যের স্থানান্তর: প্রোটিন তৈরির মূল সংকেত বা নীলনকশা সংরক্ষিত থাকে নিউক্লিয়াসে অবস্থিত DNA-তে। তবে প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে সাইটোপ্লাজমের রাইবোজোমে। DNA নিউক্লিয়াস থেকে সরাসরি রাইবোজোমে যেতে পারে না; ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়ায় mRNA সৃষ্টির মাধ্যমেই DNA-এর সেই জেনেটিক বার্তা সাইটোপ্লাজমে পরিবাহিত হয়।
২. অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্রম নির্ধারণ: mRNA-এর প্রতিটি ট্রিপলেট কোডন নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিডের নির্দেশ বহন করে। ট্রান্সক্রিপশনে সঠিক mRNA তৈরি না হলে পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ ট্রান্সলেশনে সঠিক অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত হতে পারবে না, ফলে প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি অসম্ভব হবে।
৩. অন্যান্য RNA সংশ্লেষণ: প্রোটিন তৈরির জন্য শুধু mRNA-ই নয়, রাইবোজোমের গাঠনিক উপাদান হিসেবে rRNA এবং অ্যামিনো অ্যাসিড বহনকারী হিসেবে tRNA-ও প্রয়োজন হয়, যা ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তৈরি হয়।সুতরাং, ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াটি DNA-র তথ্যকে ব্যবহারোপযোগী করে প্রোটিন উৎপাদনের পথ সুগম করে। তাই প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য চিত্র A থেকে চিত্র B তৈরির প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও