‍অর্থনীতি ১ম পত্র • মুদ্রা ও ব্যাংক ব্যবস্থা • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২১

‍অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন

A ব্যাংকের ক্ষেত্রে তথ্য নিম্নরূপ:

  1. ক)

    অর্থ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    অর্থের মূল্যের সাথে দামস্তরের সম্পর্ক কীরূপ? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    অর্থের মূল্যের সাথে দামস্তরের সম্পর্ক কীরূপ? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ অনুপাত ২০% এ বৃদ্ধি করলে অর্থনীতিতে কীরূপ প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: সিলেট বোর্ড ২০২১-এর প্রশ্নপত্রে 'গ' অংশে 'খ' অংশের প্রশ্নটি ডেটাবেজ বা টাইপিং ত্রুটির কারণে হুবহু বসেছে; মূল প্রশ্ন ছিল A ব্যাংকের সৃষ্ট ঋণ বা মোট আমানত নির্ণয় করা।

    যা বিনিময়ের মাধ্যম, মূল্যের পরিমাপক এবং সঞ্চয়ের বাহন হিসেবে সর্বজনগ্রাহ্য এবং আইনগতভাবে স্বীকৃত, তাকে অর্থ বলে।

  2. খ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: সিলেট বোর্ড ২০২১-এর প্রশ্নপত্রে 'গ' অংশে 'খ' অংশের প্রশ্নটি ডেটাবেজ বা টাইপিং ত্রুটির কারণে হুবহু বসেছে; মূল প্রশ্ন ছিল A ব্যাংকের সৃষ্ট ঋণ বা মোট আমানত নির্ণয় করা।

    অর্থের মূল্যের সাথে দামস্তরের সম্পর্ক বিপরীতমুখী বা ঋণাত্মক।
    অর্থের মূল্য বলতে অর্থের ক্রয়ক্ষমতাকে বোঝায়। অর্থনীতিতে সামগ্রিক দামস্তর বৃদ্ধি পেলে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিয়ে আগের চেয়ে কম পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা পাওয়া যায়, ফলে অর্থের মূল্য কমে। পক্ষান্তরে, দামস্তর হ্রাস পেলে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা বা মূল্য বৃদ্ধি পায়। গাণিতিকভাবে একে Vm=1PV_m = \frac{1}{P} দ্বারা প্রকাশ করা হয় (যেখানে VmV_m = অর্থের মূল্য এবং PP = দামস্তর)। সুতরাং, দামস্তর বাড়লে অর্থের মূল্য কমে এবং দামস্তর কমলে অর্থের মূল্য বাড়ে।

  3. গ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: সিলেট বোর্ড ২০২১-এর প্রশ্নপত্রে 'গ' অংশে 'খ' অংশের প্রশ্নটি ডেটাবেজ বা টাইপিং ত্রুটির কারণে হুবহু বসেছে; মূল প্রশ্ন ছিল A ব্যাংকের সৃষ্ট ঋণ বা মোট আমানত নির্ণয় করা।

    [প্রদত্ত প্রশ্নের আলোকে]:
    অর্থের মূল্যের সাথে দামস্তরের ঋণাত্মক বা বিপরীতমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান। অর্থনীতিবিদ আরভিং ফিশারের বিনিময় সমীকরণ অনুযায়ী, দামস্তর দ্বিগুণ হলে অর্থের মূল্য অর্ধেক হয়ে যায় এবং দামস্তর অর্ধেক হলে অর্থের মূল্য দ্বিগুণ হয় (Vm=1PV_m = \frac{1}{P})।

    [সিলেট বোর্ড ২০২১-এর প্রকৃত প্রশ্নানুযায়ী পুনর্গঠিত রূপ: 'উদ্দীপকের আলোকে A ব্যাংকের সৃষ্ট ঋণের পরিমাণ নির্ণয় করো']:
    দেওয়া আছে,
    প্রাথমিক আমানত (AA) = ৪৫,০০০ টাকা
    রিজার্ভ অনুপাত (rr) = ১০% = ০.১

    আমরা জানি,
    মোট আমানত (DD) = প্রাথমিক আমানত ×১রিজার্ভ অনুপাত\times \frac{১}{\text{রিজার্ভ অনুপাত}}
    =৪৫,০০০×১০.১=৪,৫০,০০০= ৪৫,০০০ \times \frac{১}{০.১} = ৪,৫০,০০০ টাকা।

    অতএব, সৃষ্ট ঋণ = মোট আমানত - প্রাথমিক আমানত
    =৪,৫০,০০০−৪৫,০০০=৪,০৫,০০০= ৪,৫০,০০০ - ৪৫,০০০ = ৪,০৫,০০০ টাকা।
    সুতরাং, A ব্যাংক কর্তৃক সৃষ্ট ঋণের পরিমাণ ৪,০৫,০০০ টাকা।

  4. ঘ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: সিলেট বোর্ড ২০২১-এর প্রশ্নপত্রে 'গ' অংশে 'খ' অংশের প্রশ্নটি ডেটাবেজ বা টাইপিং ত্রুটির কারণে হুবহু বসেছে; মূল প্রশ্ন ছিল A ব্যাংকের সৃষ্ট ঋণ বা মোট আমানত নির্ণয় করা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ অনুপাত বাড়িয়ে ২০% করলে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ সৃজন ক্ষমতা এবং অর্থনীতিতে অর্থ সরবরাহ হ্রাস পাবে, যা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে।

    উদ্দীপকে প্রাথমিক অবস্থায়:
    প্রাথমিক আমানত (AA) = ৪৫,০০০ টাকা
    রিজার্ভ অনুপাত (r1r_1) = ১০% = ০.১
    মোট আমানত (D1D_1) = Ar1=৪৫,০০০০.১=৪,৫০,০০০\frac{A}{r_1} = \frac{৪৫,০০০}{০.১} = ৪,৫০,০০০ টাকা।
    এবং সৃষ্ট ঋণ (L1L_1) = ৪,৫০,০০০ - ৪৫,০০০ = ৪,০৫,০০০ টাকা।

    রিজার্ভ অনুপাত বৃদ্ধি পেয়ে ২০% (r2=০.২r_2 = ০.২) হলে:
    নতুন মোট আমানত (D2D_2) = Ar2=৪৫,০০০০.২=২,২৫,০০০\frac{A}{r_2} = \frac{৪৫,০০০}{০.২} = ২,২৫,০০০ টাকা।
    নতুন সৃষ্ট ঋণ (L2L_2) = ২,২৫,০০০ - ৪৫,০০০ = ১,৮০,০০০ টাকা।

    অর্থাৎ, ঋণ সৃজন হ্রাস পায় = ৪,০৫,০০০ - ১,৮০,০০০ = ২,২৫,০০০ টাকা।

    অর্থনীতিতে এর প্রভাবসমূহ:
    ১. ঋণ সংকোচন: ব্যাংকের বাধ্যতামূলক তারল্য সংরক্ষণ বেড়ে যাওয়ায় বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা সংকুচিত হবে।
    ২. অর্থ সরবরাহ ও সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস: বাজারে ঋণের প্রবাহ কমে যাওয়ায় সামগ্রিক মুদ্রা সরবরাহ ও ভোগ ব্যয় কমবে।
    ৩. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: অর্থ সরবরাহ ও সামগ্রিক চাহিদা হ্রাসের ফলে দামস্তর হ্রাস পাবে এবং অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।
    ৪. বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধি: ঋণ প্রাপ্তি কঠিন ও ব্যয়বহুল হওয়ায় স্বল্পমেয়াদে বেসরকারি বিনিয়োগ কিছুটা মন্থর হতে পারে।

    সুতরাং, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির ফলে অর্থনীতিতে অর্থ সরবরাহ হ্রাস পেয়ে মূল্যস্তর স্থিতিশীল হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন