পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয় • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
স্কুল ছাত্রী রুনাকে যাওয়া-আসার পথে প্রায়ই কয়েকজন বখাটে উত্ত্যক্ত করে। ঘটনাটি রুনা তার শ্রেণি শিক্ষককে জানায়। শ্রেণি শিক্ষক বখাটেদের পুলিশে ধরিয়ে দেন।
- ক)(1)
খাদ্যে ভেজাল কী?
- খ)(2)
বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো নাগরিক সমস্যার সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
লাভের উদ্দেশ্যে মূল খাদ্যদ্রব্যের সাথে কোনো নিকৃষ্ট বা ক্ষতিকর উপাদান মেশানো অথবা খাদ্য থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সরিয়ে নেওয়াকে খাদ্যে ভেজাল বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী বলতে শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক বা ইন্দ্রিয়গত প্রতিবন্ধকতা বা পার্থক্যের কারণে যাদের সাধারণ মানুষের চেয়ে ভিন্ন বা অতিরিক্ত যত্ন ও সুযোগ-সুবিধার প্রয়োজন হয়, তাদের বোঝায়। যেমন- দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, শ্রবণপ্রতিবন্ধী, শারীরিক প্রতিবন্ধী বা অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিরা বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত নাগরিক সমস্যা 'ইভটিজিং' বা নারী উত্ত্যক্তকরণের সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে স্কুলছাত্রী রুনা বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে নিয়মিত বখাটেদের দ্বারা উত্ত্যক্তের শিকার হয়, যা পরবর্তীতে তার শিক্ষকের সহযোগিতায় আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়।
পাঠ্যবই অনুযায়ী, পথঘাটে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বা কর্মক্ষেত্রে নারীদের অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা নিপীড়নের মাধ্যমে মানসিকভাবে হেনস্তা করাকে ইভটিজিং বলা হয়। এটি একটি গুরুতর সামাজিক ও নাগরিক সমস্যা। উদ্দীপকে রুনার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে, যা সরাসরি ইভটিজিংয়ের স্বরূপকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে উদ্দীপকে বর্ণিত 'ইভটিজিং' নামক ব্যাধি থেকে কার্যকরভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব— উক্তিটি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত।
ইভটিজিং শুধু কোনো একক ব্যক্তির সমস্যা নয়, এটি সমগ্র সমাজের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশকে বিনষ্ট করে। এর ফলে বহু নারী মানসিক ট্রমার শিকার হয় এবং এমনকি অনেকের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে যায়। উদ্দীপকে দেখা যায়, রুনা বিষয়টি মুখ বুজে সহ্য না করে তার শিক্ষককে জানিয়েছে এবং শিক্ষক তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে বখাটেদের আইনের আওতায় এনেছেন।
আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পারিবারিক মূল্যবোধ ও সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা সবচেয়ে জরুরি। পরিবার থেকে নারীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শিক্ষা দেওয়া, বিদ্যালয়ে নৈতিক শিক্ষার প্রসার এবং বখাটেদের কর্মকাণ্ডে স্থানীয় জনগণ সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুললে এ ধরনের অপরাধের সুযোগ হ্রাস পায়। শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার মানুষের ঐক্যবদ্ধ সামাজিক প্রতিরোধ ও সচেতনতাই পারে ইভটিজিং চিরতরে নির্মূল করতে। সুতরাং, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই এই নাগরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও