সমাজকর্ম ২য় পত্র • মৌলিক মানবিক চাহিদা • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১
সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন
সামাজিক জীব হিসেবে মানুষকে এমন একটি মৌল মানবিক চাহিদা পূরণ করতে হয় যাকে সভ্যতার ধারক ও বাহক বলা হয়। এটি প্রতিকূল প্রাকৃতিক অবস্থা থেকে মানুষকে রক্ষা করে।
- ক)(1)
Common Human Needs' গ্রন্থের লেখক কে?
- খ)(2)
শিক্ষাকে কেন মৌল মানবিক চাহিদা বলা হয়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন মৌল মানবিক চাহিদাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মৌল মানবিক চাহিদা পূরণের অন্তরায়সমূহ। বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
'Common Human Needs' গ্রন্থের লেখক হলেন শার্লট টাউল (Charlotte Towle)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
শিক্ষা মানুষের অন্তর্নিহিত সম্ভাবনা ও মেধার বিকাশ ঘটিয়ে তাকে দক্ষ, সচেতন এবং সামাজিক সম্পদে পরিণত করে। এটি মানুষকে বিবেকবান ও স্বাবলম্বী নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে এবং সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে সাহায্য করে। তাই মানবজীবনের সামগ্রিক বিকাশ ও সভ্যতার অগ্রগতির জন্য খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের মতোই শিক্ষাকে অপরিহার্য একটি মৌল মানবিক চাহিদা বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মৌল মানবিক চাহিদা হিসেবে 'বস্ত্র'-কে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
মানুষকে অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা করে সভ্য জীব হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে বস্ত্রের ভূমিকা অনন্য। বস্ত্র কেবল মানুষের লজ্জা নিবারণ করে না, বরং প্রতিকূল প্রাকৃতিক অবস্থা (যেমন—শীত, গ্রীষ্ম, রোদ, বৃষ্টি) থেকে শরীরকে রক্ষা করে। উদ্দীপকে উল্লেখিত "সভ্যতার ধারক ও বাহক" এবং "প্রতিকূল প্রাকৃতিক অবস্থা থেকে মানুষকে রক্ষা করে"—এই বৈশিষ্ট্যগুলো নির্দেশ করে যে এখানে মৌলিক চাহিদা হিসেবে পোশাক বা বস্ত্রের কথাই বলা হয়েছে। বস্ত্র পরিধানের মাধ্যমেই মানবসভ্যতার সূচনা ও বিকাশ ত্বরান্বিত হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মৌল মানবিক চাহিদা হলো 'বস্ত্র'। বাংলাদেশে বস্ত্র চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রধান অন্তরায়সমূহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. দারিদ্র্য ও নিম্ন মাথাপিছু আয়: দারিদ্র্যের কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠী তাদের আয়ের সিংহভাগ খাদ্যের পেছনে ব্যয় করে ফেলে, ফলে তাদের জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্মত বস্ত্র কেনা সম্ভব হয় না।
২. কাঁচামালের সংকট ও আমদানি নির্ভরতা: সুতা ও তুলার মতো বস্ত্র তৈরির প্রাথমিক কাঁচামালের জন্য বাংলাদেশকে ব্যাপকভাবে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়, যা উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দেয়।
৩. মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদিসহ কাপড়ের মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের বস্ত্র ক্রয়ের সক্ষমতা হ্রাস পায়।
৪. জনসংখ্যা বৃদ্ধি: দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যার সাথে তাল মিলিয়ে প্রয়োজনীয় বস্ত্রের জোগান নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
৫. দক্ষ জনবল ও আধুনিক প্রযুক্তির অভাব: স্থানীয় টেক্সটাইল শিল্পে অনেক ক্ষেত্রে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উন্নত প্রশিক্ষণের ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়।পরিশেষে বলা যায়, উপর্যুক্ত আর্থ-সামাজিক সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করতে পারলে দেশের সর্বস্তরের জনগণের জন্য বস্ত্রের মতো মৌলিক চাহিদাটি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও