ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • ব্যবস্থাপনার নীতি • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব আমিরুল ইসলাম একটি পোশাক কারখানার কর্ণধার। তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব ও বন্টন করে দেন। মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান কে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যেন দক্ষ কর্মীদের চাকরি স্থায়িত্বকরনে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। ফলে কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজে মনোযোগী হয়।
- ক)(1)
সংগঠন কি?
- খ)(2)
সংগঠন কাঠামো নির্ধারণ কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে আমিরুল ইসলাম প্রথমত ব্যবস্থাপনার কোন নীতি অনুসরণ করেছেন? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
ব্যবস্থাপনার কোন নীতির ফলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কাজে মনোযোগী হয়? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানের অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় উপায়-উপকরণাদি ও কাজসমূহকে সুসংগঠিত করা এবং কর্মীদের মধ্যে দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব বণ্টন করে তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করার প্রক্রিয়াকে সংগঠন বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্তর, বিভাগ ও কর্মীদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক, দায়িত্ব, কর্তৃত্ব এবং যোগাযোগের পথ সুস্পষ্টভাবে প্রদর্শনের জন্য সংগঠন কাঠামো নির্ধারণ প্রয়োজন।
সংগঠন কাঠামোর মাধ্যমে কে কার অধীনে কাজ করবে, কার কাছে জবাবদিহি করবে এবং আদেশ-নির্দেশ কীভাবে প্রবাহিত হবে তা সুনির্দিষ্ট থাকে। এতে প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা নিশ্চিত হয়, দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ কমে এবং সমবায়মূলক কর্মপরিবেশ তৈরি হয়, যা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে জনাব আমিরুল ইসলাম প্রথমত ব্যবস্থাপনার 'কার্যবিভাজন বা শ্রমবিভাগ নীতি' (Division of Work) অনুসরণ করেছেন।
প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কাজকে কর্মীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন অংশে বিভক্ত করে উপযুক্ত ব্যক্তির ওপর উপযুক্ত কাজের দায়িত্ব অর্পণ করাকে কার্যবিভাজন নীতি বলে। এর ফলে কর্মীরা একই কাজ বারবার করার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করতে পারে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, পোশাক কারখানার কর্ণধার জনাব আমিরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টন করে দিয়েছেন। যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ বণ্টন করার মাধ্যমে তিনি ব্যবস্থাপনার কার্যবিভাজন নীতিটি যথাযথভাবে প্রয়োগ করেছেন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবস্থাপনার 'চাকরির স্থায়িত্বের নীতি' (Stability of Tenure of Personnel)-র ফলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মনোযোগী হয়।
ব্যবস্থাপক হেনরি ফেয়ল প্রদত্ত নীতিমালার অন্যতম একটি হলো চাকরির স্থায়িত্বের নীতি। এই নীতি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের অহেতুক বা ঘন ঘন চাকরিচ্যুতির ভয় না দেখিয়ে চাকরির নিশ্চয়তা প্রদান করা আবশ্যক। কর্মীদের চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত হলে তাদের মনে প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বস্ততা ও নিরাপত্তার অনুভূতি জন্ম নেয়, যা তাদের কাজে একাগ্র ও মনোযোগী করে তোলে।
উদ্দীপকে জনাব আমিরুল ইসলাম মানবসম্পদ বিভাগের প্রধানকে নির্দেশ দেন দক্ষ কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে। কর্মীদের চাকরির স্থায়িত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার ফলে তাদের মধ্যে চাকরি হারানোর অনিশ্চয়তা দূর হয় এবং কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পায়। এর ফলেই কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজে মনোযোগী হয়েছে। সুতরাং, চাকরির স্থায়িত্বের নীতির কারণেই কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজে মনোযোগী হয়েছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও