পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
আজমহল সাহেব একজন খ্যাতনামা রাজনীতিবিদ। তিনি তার সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ ভাগ্য নির্ধারণের জন্য নিজ দলের অধিবেশনে একাধিক রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করেন। উত্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে একাধিক রাষ্ট্র গঠিত হয়। শিক্ষার প্রতিও তার আকর্ষণ ছিল প্রগাঢ়। গ্রাম বাংলায় তারই প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছিল বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- ক)(1)
বাংলাদেশের সংবিধান কত তারিখে কার্যকর হয়?
- খ)(2)
অ্যাটর্নি জেনারেলের দুইটি কাজ লেখো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেখিত আজমল সাহেবের প্রস্তাবের সাথে তোমার পঠিত কোন প্রস্তাবের মিল আছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত নেতার শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রধান দুইটি কাজ হলো:
১. সুপ্রিম কোর্টে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা এবং সরকারের আইনি স্বার্থ রক্ষা ও প্রতিনিধিত্ব করা।
২. রাষ্ট্রপতির রেফারেন্স বা সরকারের অনুরোধে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও আইনি বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ প্রদান করা। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লেখিত আজমল সাহেবের প্রস্তাবের সাথে ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব'-এর মিল রয়েছে।
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ নিখিল ভারত মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে অবিভক্ত বাংলার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এ. কে. ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এই প্রস্তাবে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলো নিয়ে স্বাধীন 'রাষ্ট্রসমূহ' (States) গঠনের দাবি জানানো হয়েছিল। উদ্দীপকের আজমল সাহেবও নিজ দলের অধিবেশনে একাধিক রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব পেশ করেছিলেন, যা লাহোর প্রস্তাবের মূল ধারণাকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত নেতা হলেন শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক। বাঙালি সমাজকে শিক্ষাদীক্ষায় অগ্রসর করতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানসমূহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. প্রাথমিক শিক্ষার প্রসার: ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বিল পাস করেন এবং গ্রামীণ কৃষক-শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ করে দেন।২. উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন: তিনি কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজ (বর্তমান মৌলানা আজাদ কলেজ), লেডি ব্র্যাবোর্ন কলেজ এবং ঢাকায় ইডেন কলেজ পুনর্গঠন ও তেজগাঁওয়ে কৃষি ইনস্টিটিউট (বর্তমানে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠা করেন।
৩. পিছিয়ে পড়া মুসলিমদের শিক্ষায় সুযোগ সৃষ্টি: তৎকালীন অনগ্রসর মুসলমানদের শিক্ষায় আকৃষ্ট করতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফজলুল হক মুসলিম হল স্থাপনসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজে হোস্টেল প্রতিষ্ঠা ও বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা করেন।
৪. নিজ উদ্যোগে কলেজ প্রতিষ্ঠা: তিনি নিজের গ্রাম চাখারে 'ফজলুল হক কলেজ' স্থাপন করেন, যা দক্ষিণাঞ্চলের উচ্চশিক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
অতএব, কৃষক ও সাধারণ প্রজাদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে আধুনিক ও সচেতন জাতি গঠনে এ. কে. ফজলুল হকের অবদান অবিস্মরণীয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও