পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০১৮
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
বিধান সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত। আছেন। উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন, মেধাবী ও দক্ষ লোক বাছাইয়ের কাজ করে।
- ক)(1)
নির্বাচন কী?
- খ)(2)
সর্বজনীন ভোটাধিকার বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার উপর রাষ্ট্রের উন্নয়ন। নির্ভরশীল- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নির্বাচন হলো একটি সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো দেশের নাগরিক বা নির্বাচকমণ্ডলী তাদের প্রতিনিধি বা নেতা নির্বাচন করে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ধর্ম, বর্ণ, জাতি, লিঙ্গ বা জন্মস্থান নির্বিশেষে একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর রাষ্ট্রের সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকারকে সর্বজনীন ভোটাধিকার বলে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এটি একটি মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার। যেমন—বাংলাদেশে ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের সকল সুস্থ ও স্বাভাবিক নাগরিক ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে এবং নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন' (Bangladesh Public Service Commission - BPSC)-এর পূর্ণ সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বিধান সরকার এমন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে অধিষ্ঠিত আছেন যা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন, মেধাবী ও দক্ষ লোক বাছাইয়ের কাজ করে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগের উদ্দেশ্যে প্রার্থী যাচাই ও পরীক্ষার জন্য 'বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন' গঠনের বিধান রয়েছে।
সংবিধানের ১৩৮ থেকে ১৪১ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত সরকারি কর্ম কমিশনের গঠন, দায়িত্ব ও কার্যাবলি বর্ণিত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ হলো উপযুক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রজাতন্ত্রের বিভিন্ন ক্যাডার ও নন-ক্যাডার সার্ভিসের জন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী বাছাই এবং সরকারের নিকট তাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা। উদ্দীপকের বর্ণনার সাথে সরকারি কর্ম কমিশনের এই সাংবিধানিক দায়িত্বের পূর্ণ মিল রয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), যার ওপর একটি দক্ষ, স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রশাসন গড়ে তোলা এবং সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রের টেকসই উন্নয়ন বহুলাংশে নির্ভরশীল।
একটি রাষ্ট্রের সার্বিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মূল চালিকাশক্তি হলো তার জনপ্রশাসন বা আমলাতন্ত্র। আর সরকারি কর্ম কমিশনের মূল দায়িত্ব হলো মেধা, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করে সেই প্রশাসনে যুক্ত করা।
প্রথমত, পিএসসি যদি মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ সুপারিশ করে, তবে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া গতিশীল হয়। অদক্ষ জনবল নিয়োগ পেলে দুর্নীতি, অনিয়ম ও দীর্ঘসূত্রিতা বেড়ে যায়, যা উন্নয়নের গতিকে রুদ্ধ করে।
দ্বিতীয়ত, সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দক্ষ ও নৈতিকতাসম্পন্ন আমলাদের ভূমিকা অপরিসীম। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, বাজেট বাস্তবায়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার কাজগুলো সরকারি কর্মকর্তাদের হাত দিয়েই সম্পাদিত হয়। পিএসসি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করলেই কেবল মেধাবী প্রশাসন গড়ে ওঠে।
সুতরাং, উপযুক্ত ও মেধাবী মানবসম্পদ বাছাইয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রযন্ত্রকে সক্রিয় ও কার্যকর রাখার ক্ষেত্রে সরকারি কর্ম কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার প্রত্যক্ষ ইতিবাচক প্রভাব পড়ে রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়নের ওপর।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও