ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • সংগঠনকরণ • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০২৬

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

XY লিঃ এর সকল কর্মচারী প্রত্যেকে তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ-নির্দেশ পালন করেন। আবার উপর থেকে শুরু করে নিচ পর্যন্ত প্রত্যেক বিভাগ, উপবিভাগ ও ব্যক্তির কাজ এমনভাবে একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত, যাতে কোনো কর্মীই এর বাইরে থাকে না। ফলে আদেশ দান ও বাস্তবায়ন সহজ হয় এবং দলীয় প্রচেষ্টা জোরদার হয়।

  1. ক)

    সংগঠন কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    আদেশের ঐক্য প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন ধরনের সংগঠনের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    যে নীতি উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রচেষ্টাকে জোরদার করে তার যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান ও মানবসম্পদকে সুসংগঠিত করে তাদের দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ ও বণ্টনের প্রক্রিয়াকে সংগঠন বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা দূরীকরণ এবং দায়িত্বের স্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য আদেশের ঐক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    আদেশের ঐক্য নীতির মূল কথা হলো, একজন অধস্তন কর্মী কেবল একজন মাত্র প্রত্যক্ষ ঊর্ধ্বতনের কাছ থেকেই আদেশ গ্রহণ করবেন। যদি একজন কর্মী একই সময়ে একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে পরস্পরবিরোধী আদেশ পান, তবে তিনি কার আদেশ আগে পালন করবেন তা নিয়ে বিভ্রান্তি ও দ্বৈত অধীনতার সৃষ্টি হয়। আদেশের ঐক্য নিশ্চিত হলে আদেশ বাস্তবায়ন সহজ হয়, কাজের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ন থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'সরলরৈখিক সংগঠন' (Line Organization)-এর কথা বলা হয়েছে।

    যে সংগঠন কাঠামোতে কর্তৃত্বের রেখা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহী থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে নিচের স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মীদের দিকে সরলরেখার মতো সরাসরি নেমে আসে, তাকে সরলরৈখিক সংগঠন বলে। এতে ঊর্ধ্বতন ও অধস্তনের সম্পর্ক খুব স্পষ্ট এবং আদেশ-নির্দেশ সরাসরি প্রবাহিত হয়।

    উদ্দীপকে XY লিঃ-এ দেখা যায়, প্রতিটি কর্মচারী সরাসরি তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ-নির্দেশ মেনে চলেন এবং উপর থেকে নিচ পর্যন্ত প্রতিটি বিভাগ, উপবিভাগ ও ব্যক্তি একে অপরের সাথে একটি অবিচ্ছিন্ন কর্তৃত্ব রেখায় সংযুক্ত। কেউ এর বাইরে থাকে না, যার ফলে সহজেই আদেশ দান ও বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। কর্তৃত্বের এই প্রত্যক্ষ ও ধারাবাহিক প্রবাহ সরলরৈখিক সংগঠনের প্রধান বৈশিষ্ট্য। অতএব, প্রতিষ্ঠানটিতে সরলরৈখিক সংগঠন কাঠামোর প্রতিফলন ঘটেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রচেষ্টাকে জোরদারকারী নীতিটি হলো 'জোড়া-মই শিকল নীতি' (Scalar Chain Principle), যার প্রয়োগ প্রতিষ্ঠানটির জন্য অত্যন্ত যথার্থ হয়েছে।

    জোড়া-মই শিকল নীতি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ স্তর থেকে সর্বনিম্ন স্তর পর্যন্ত পদমর্যাদা, যোগাযোগ ও কর্তৃত্বের প্রবাহ একটি নিরবচ্ছিন্ন শিকলের মতো ধারাবাহিকভাবে বিন্যস্ত থাকবে। এর ফলে সংগঠনের কোনো ব্যক্তি বা বিভাগ মূল যোগাযোগের কাঠামোর বাইরে থাকে না এবং সবাই পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে একতাবদ্ধ থাকে।

    উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে, XY লিঃ-এ উপর থেকে শুরু করে নিচ পর্যন্ত প্রত্যেক বিভাগ, উপবিভাগ ও ব্যক্তির কাজ এমনভাবে একে অন্যের সাথে সংযুক্ত যাতে কোনো কর্মীই এর বাইরে থাকে না। এর ফলে তথ্য প্রবাহ ও আদেশ বাস্তবায়ন যেমন সহজতর হয়েছে, তেমনি প্রতিটি স্তরের কর্মচারীদের মধ্যে একটি সুদৃঢ় ঐক্য ও সংযোগ তৈরি হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাবলি যখন কোনো বিচ্ছিন্নতা ছাড়াই শৃঙ্খলার সাথে সমন্বিত হয়, তখন কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও দলগত ভাবমূর্তি তৈরি হয়, যা দলীয় প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করে তোলে।

    সুতরাং, প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পর্যায় থেকে নিম্ন পর্যায় পর্যন্ত কর্তৃত্ব ও যোগাযোগের নিরবচ্ছিন্ন ধারা বজায় রাখার মাধ্যমে দলীয় প্রচেষ্টাকে সুসংহত করার ক্ষেত্রে জোড়া-মই শিকল নীতির যথার্থতা অনস্বীকার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন