কৃষিশিক্ষা ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, বরিশাল, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

কৃষিশিক্ষা ২য় পত্র প্রশ্ন

কামাল ও সোহেল দুই বন্ধু কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি মেলায় গেল। মেলার বিভিন্ন স্টল তারা ঘুরে ঘুরে দেখলো। তারা বিভিন্ন ফুল, ফল, শাক-সবজির চারা ও কৃষি সম্পর্কিত বিভিন্ন পণ্য সম্বলিত স্টলও দেখলো। কামাল গোলাপ ফুলের একটি টব আর সোহেল সফেদার একটি চারা কিনল।

  1. ক)

    বন কী?

    (1)
  2. খ)

    মাছ পচে কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত মেলার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    নতুন বনায়নের ক্ষেত্রে কামাল ও সোহেলের দেখা মেলাটি কীভাবে ভূমিকা রাখবে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা অথবা কৃত্রিমভাবে সৃজিত বিভিন্ন প্রকার বৃক্ষ, লতাগুল্ম, গুল্ম এবং বন্যপ্রাণী সম্বলিত বিশাল উদ্ভিদ্বিস্তৃত এলাকাকে বন বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মাছ মারা যাওয়ার পর প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ এবং মাছের দেহের ভেতরের এনজাইমের (উৎসেচক) অতিসক্রিয়তার কারণে মাছের কোষের প্রোটিন, ফ্যাট ও অন্যান্য উপাদানগুলো দ্রুত ভেঙে গিয়ে জটিল রাসায়নিক পচন ঘটায়। এছাড়া উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় মাছ সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে অণুজীবের দ্রুত বংশবৃদ্ধির ফলে মাছ পচে যায় ও দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত মেলাটি হলো একটি কৃষি ও বৃক্ষমেলা। এ ধরণের মেলার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
    ১. বিভিন্ন জাতের চারা ও উদ্ভিদের সমাবেশ: মেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ফুল, ফল, কাঠ, ওষুধী গাছ এবং শাক-সবজির উন্নত জাতের চারা ও কলম প্রদর্শন ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা থাকে।
    ২. কৃষি প্রযুক্তি ও উপকরণের প্রদর্শনী: কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি, জৈব ও রাসায়নিক সার, বালাইনাশক, টব, বীজ এবং আধুনিক কৃষি সরঞ্জামাদি প্রদর্শিত হয়।
    ৩. প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি: বৃক্ষরোপণ, সঠিক পরিচর্যা এবং বাগান সৃজন বিষয়ে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ ও তথ্যমূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।
    ৪. উৎসবমুখর পরিবেশ ও সহজলভ্যতা: এক ছাদের নিচে নানা জাতের মানসম্মত কৃষি উপাদান ও পছন্দের চারা সুলভ মূল্যে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নতুন বনায়নের বিস্তার ও সফলতায় কামাল ও সোহেলের দেখা কৃষি/বৃক্ষমেলাটি অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. সচেতনতা ও উৎসাহ সৃষ্টি: সাধারণ মানুষ মেলায় এসে নানা বৈচিত্র্যময় চারা ও সবুজ সমারোহ দেখে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক উদ্যোগে বৃক্ষরোপণে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উৎসাহিত হয়, যেমনটি কামাল ও সোহেল যথাক্রমে ফুল ও ফলের চারা কিনে প্রমাণ করেছে।
    ২. উন্নত ও মানসম্মত চারার সহজপ্রাপ্যতা: সাধারণ বনায়নের প্রধান বাধা হলো বিশ্বস্ত ও রোগমুক্ত চারার অভাব। মেলায় সরকারি-বেসরকারি নার্সারির মাধ্যমে উচ্চফলনশীল ও স্বাস্থ্যবান চারা সহজলভ্য হয়, যা সফল বনায়নের নিশ্চয়তা দেয়।
    ৩. ছাদবাগান ও পারিবারিক বনায়ন: কামাল যেমন গোলাপের টব কিনেছে, এটি শহুরে ছাদবাগান ও বারান্দা বনায়নের অনুপ্রেরণা তৈরি করে। সোহেল ফলদ চারা কিনে গ্রামীণ বা বসতবাড়ির আঙিনায় বনায়নের পথ সুগম করেছে।
    ৪. জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিস্তার: গাছ রোপণ পদ্ধতি, রোগবালাই দমন ও সারের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে ক্রেতারা ধারণা লাভ করতে পারে, যার ফলে নবনির্মিত বনায়নের চারাগুলোর বেঁচে থাকার হার বাড়ে।

    অতএব, বৃক্ষমেলা মানুষের মাঝে সবুজায়নের চেতনা ছড়িয়ে দিয়ে এবং সরাসরি রোপণ উপকরণ সরবরাহ করে দেশের নতুন বনায়ন ও সবুজ বিপ্লবে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন