যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

তথ্য-১: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৫শে মে জন্মগ্রহণ করেন।তথ্য-২: নজরুল ছিলেন বিচক্ষণ ও হাস্যপ্রিয়।

  1. ক)

    পরফিরির'মতে বিধেয়ক কয় প্রকার?

    (1)
  2. খ)

    বিধেয় ও বিধেয়ক কি সমার্থক? বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    তথ্য-১ দ্বারা পাঠ্যবইয়ের কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তথ্য-২ এ বর্ণিত গুণগুলো বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দার্শনিক পরফিরির মতে বিধেয়ক পাঁচ প্রকার। যথা: জাতি, উপজাতি, লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ, উপলক্ষণ এবং অবান্তর লক্ষণ।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিধেয় ও বিধেয়ক সমার্থক নয়।

    যুক্তিবিদ্যায় বিধেয় হলো একটি যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়। অর্থাৎ এটি একটি পদ যা একা একটি বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে। পক্ষান্তরে, বিধেয়ক হলো সদর্থক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যকার সম্পর্ক। অর্থাৎ বিধেয় হলো একটি পদ, আর বিধেয়ক হলো একটি সম্পর্কের নাম। বিধেয় বিশিষ্ট যুক্তিবাক্যে বিধেয়ক থাকে না (যেমন- কোনো বিশেষ বা ব্যক্তিগত নির্দেশক বাক্যে), কিন্তু বিধেয় সর্বদাই থাকে। সুতরাং দুটি প্রত্যয় এক বা সমার্থক নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    তথ্য-১ এ পাঠ্যবইয়ের ‘ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণ’ দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

    যুক্তিবিদ্যায় যে গুণ কোনো শ্রেণির বা ব্যক্তির জন্য আবশ্যিক নয়, অথচ বাস্তব ক্ষেত্রে বিদ্যমান থাকে, তাকে অবান্তর লক্ষণ বলে। আবার অবান্তর লক্ষণ যখন কোনো বিশেষ বা নির্দিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, তখন তাকে ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণ বলে। এটি দুই প্রকার: অবিচ্ছেদ্য ও বিচ্ছেদ্য।

    উদ্দীপকের তথ্য-১ এ বলা হয়েছে, “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৫শে মে জন্মগ্রহণ করেন।” জন্মতারিখ ও জন্মসাল হলো এমন একটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য যা কাজী নজরুল ইসলামের জন্য নির্দিষ্ট এবং এটি কখনো তাঁর সত্ত্বা থেকে পরিবর্তন বা বিচ্ছিন্ন করা যায় না। তাই এটি ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    তথ্য-২ এ বর্ণিত গুণগুলো হলো নজরুলের ‘বিচক্ষণ’ ও ‘হাস্যপ্রিয়’ হওয়া, যা যুক্তিবিদ্যার দৃষ্টিতে ‘ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ’ হিসেবে বিশ্লেষিত হয়।

    যে গুণ কোনো ব্যক্তি বা জাতির সারসত্তা বা আসন্নতম শ্রেণি থেকে নিঃসৃত হয় না, অথচ উপস্থিত থাকে, তাকে অবান্তর লক্ষণ বলে। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে যে গুণটি সবসময় অপরিবর্তনীয় নয়, অর্থাৎ ক্ষেত্রবিশেষে বা সময়ভেদে পরিবর্তিত বা বিচ্ছিন্ন হতে পারে, তাকে ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে।

    তথ্য-২ এ কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিচক্ষণতা’ এবং ‘হাস্যপ্রিয়তা’ দুটি মানসিক ও চারিত্রিক গুণ। একজন মানুষ সবসময় সমানভাবে হাস্যপ্রিয় নাও থাকতে পারেন কিংবা পরিস্থিতিভেদে তাঁর বিচক্ষণতার প্রকাশে পার্থক্য ঘটতে পারে। এগুলো ব্যক্তির ক্ষেত্রে কোনো স্থায়ী বা অপরিহার্য উপাদান নয়, বরং ক্ষেত্রবিশেষে পরিবর্তনশীল গুণ। অতএব, যুক্তিবিদ্যার বিধেয়ক অধ্যায়ের আলোকে উদ্দীপকের তথ্য-২ এ বর্ণিত গুণগুলো ব্যক্তির বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণের উদাহরণ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন